আজ: শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২ইং, ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০২ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার |


kidarkar

মোবাইল ফোনে কথা বলার খরচ বাড়বে


parliamentশেয়ারবাজার রিপোর্ট : আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কোম্পানি করের (Corporate Tax) হারে কোনো পরিবর্তসিম বা রিম কার্ডের মাধ্যমে সেবার উপর বিদ্যমান তিন শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত; ফলে মোবাইল ফোন গ্রাহকদের ব্যয় বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে শুল্কহার পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব করেন।

গত বাজেটে মোবাইল সিম ট্যাক্স ‘ব্যাপক হারে’ কমানোর বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “মোবাইল সিম বা রিম কার্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার উপর বিদ্যমান তিন শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করে পাঁচ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।”

গত বাজেটে নতুন মোবাইল সিমের শুল্ক হার ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছিল।

মোবাইল সেবার উপর কর বাড়ানোর প্রস্তাবকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও এ খাতে সার্বিক অগ্রযাত্রার অন্তরায় হিসেবে দেখছে মোবাইল ফোন অপারেটররা।

এক অপারেটরের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এখন তিন শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও এক শতাংশ সারচার্জসহ ১০০ টাকায় খরচ হয় ১১৯ টাকা ৪৫ পয়সা, এই খরচ ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা হয়ে যাবে।

“ফলে মোবাইল ফোননির্ভর (কথা বলা কিংবা ডেটা স্থানান্তর) সব ধরনের খরচ বাড়বে।”

বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষে মে মাস নাগাদ বাংলাদেশের ৬টি অপারেটররের ১০ কোটি ৮১ লাখের বেশি মোবাইল ফোন বর্তমানে সচল রয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির হিসাবে এপ্রিলের শেষ নাগাদ দেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৮৬ লাখের বেশি।ন আসছে না। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত তার বাজেট বক্তৃতায় এই কর হার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

বর্তমানে ব্যাংক, বিমা, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানি ও মোবাইল ফোন অপারেটর ছাড়া বাকী সব তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে ২৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হয়। তালিকাভুক্ত মোবাইল ফোন অপারেটরকে দিতে হয় ৪০ শতাংশ কর। ব্যাংক, বিমা, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হলে ৪০ শতাংশ এবং পুঁজিবাজারের বাইরে থাকলে ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়।পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা অন্যান্য কোম্পানিকে কর দিতে হয় ৩৫ শতাংশ হারে।

কর হার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাবের যুক্তি হিসেবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের কোম্পানি করহার বর্তমানে বেশ যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে বিধায় আমি বিদ্যমান কোম্পানি করহার বহাল রাখার প্রস্তাব করছি।’

শেয়ারবাজারনিউজ/আ


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.