আজ: রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪ইং, ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

৩১ অক্টোবর ২০১৬, সোমবার |

kidarkar

বস্ত্রখাতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ

bb_শেয়ারবাজার রিপোর্ট:  সদ্য বিদায়ী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) নেতৃত্ব নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা।  আর এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছে আমেরিকা। সব খাতের তুলনায় সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে বস্ত্রখাতে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বিদেশি বিনিয়োগের তথ্য  প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক আর তাতেই এ তথ্য পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে ২৫০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। যার মধ্যে  বস্ত্র খাতে এসেছে ৩৯ কোটি মার্কিন ডলার বা ১৯.৭৭ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে  দক্ষিণ করিয়া। বস্ত্র খাতে দেশটি ১১ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

বস্ত্রখাত ছাড়াও টেলিযোগাযোগ, ব্যাংকিং, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম, পাওয়ার, খাদ্য, সিমেন্ট, ওষুধ ও রসায়ন, বীমা আরো অন্যান্য খাতে বিদেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে।

এর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে টেলিকম খাত অবস্থান করছে। এখাতে বিনিয়োগ এসেছে ২৬ কোটি ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে ব্যাংকিং খাতে। এই খাতটিতে ২৫ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। এরপর চতুর্থ অবস্থানে থাকা গ্যাস ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ এসেছে ২২ কোটি ডলার, যার সিংহভাগই আমেরিকার। পঞ্চম অবস্থানে থাকা বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ এসেছে ২০ কোটি ডলার।

এদিকে, বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগে অন্যান্য দেশকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে আমেরিকা। বিদেশি বিনিয়োগে আমেরিকার ৪৫ কোটি টাকার বিনিয়োগের মধ্যে ৩৯ কোটি টাকাই বিনিয়োগ করেছে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পেট্রোলিয়াম খাতে।

বিদেশি বিনিয়োগে আমেরিকার পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটি থেকে গত অর্থবছরে বিনিয়োগ এসেছে ৩০ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বিনিয়োগ এসেছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। সিঙ্গাপুর থেকে এসেছে ১৩ কোটি ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। হংকং থেকে এসেছে ১২ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। নরওয়ে থেকে এসেছে ১১ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। মালশিয়া থেকে এসছে ১১ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলার। ভারত থেকে এসেছে ৮ কোটি ৮ লাখ মার্কিন ডলার। ন্যাদারল্যান্ড থেকে এসেছে ৭ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার।চায়না থেকে এসেছে ৫ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার। থাইল্যান্ড থেকে এসেছে ৪ কোটি ৮১ লাখ মার্কিন ডলার। ইসল্যান্ড থেকে এসেছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার। জাপান করেছে ৩ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার। সোদিআরব করেছে ২ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলার। মাওরিটিআস করেছে ২ কোটি ৬১ লাখ মার্কিন ডলার। মালটা করেছে ২ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার। তাইওয়ান করেছে ২ কোটি ২ লাখ মার্কিন ডলার। পাকিস্তান করেছে ১ কোটি ৯২ লাখ মার্কিন ডলার। সুইড্যান করেছে ১ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। সুইজারল্যান্ড করেছে ১ কোটি ৭৪ লাখ মার্কিন ডলার এবং অন্যান্য দেশ করেছে ১৩ কোটি ১৩ লাখ মার্কিন ডলার।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.