আজ: শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ইং, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০২ নভেম্বর ২০১৬, বুধবার |

kidarkar

বিএসইসির তালিকায় ১৯ কোম্পানির আইপিও

BSECশেয়ারবাজার রিপোর্ট: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের অপেক্ষা করছে ১৯ কোম্পানি। এর মধ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রিমিয়াম নেবে ১০ কোম্পানি। বাকি ৯ কোম্পানির তালিকাভুক্ত হবে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, বুক বিল্ডিংয়ে আবেদন করা ১০ কোম্পানির মধ্যে আমরা নেটওয়ার্ক ২৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এছাড়া এসটিএস হোল্ডিংস (অ্যাপোলো হসপিটাল) ঢাকা ৩০ কোটি টাকা, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ৬০ কোটি টাকা, বসুন্ধরা পেপার মিল ২০০ কোটি টাকা, আমান কটন ৮০ কোটি টাকা, রানার অটোমোবাইলস ১০০ কোটি টাকা, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস ৭০ কোটি টাকা, ডেল্টা হসপিটাল ৫০ কোটি টাকা, বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার ৫৫ কোটি টাকা এবং ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ ৪০ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলনের জন্য আবেদন করেছে।

এদিকে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ৯ কোম্পানির মধ্যে ইফকো গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল ২০ কোটি টাকা, শেফার্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ ২০ কোটি টাকা, নূরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার ৪৩ কোটি টাকা, ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং স্টেশন ২০ কোটি টাকা, ওইম্যাক্স ইলেকট্রডস ১৫ কোটি টাকা, আমুলেট ফার্মাসিউটিক্যালস ১৫ কোটি টাকা, বিবিএস ক্যাবলস ২০ কোটি টাকা, নাহি অ্যালমুনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল ১৫ কোটি টাকা এবং ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস ২০ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলনের জন্য আবেদন করেছে।

এ ব্যাপারে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো: সাইফুর রহমান শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে জানান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করা হতো বলে আগে অভিযোগ ছিল। কিন্তু বর্তমানে সে সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, আমরা কোয়ালিটিপূর্ণ আইপিও বাজারে আনার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছি। সেই প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার জন্য ইস্যু ম্যানেজারদের বলা হচ্ছে। কিছু ইস্যু ম্যানেজার আমাদের জানিয়েছে, বেশকিছু কোম্পানি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এখনো প্রস্তুত করতে পারেনি। যে কারণে তাদের আইপিও অনুমোদন পেতে সময় লাগছে।

উল্লেখ্য, পাবলিক ইস্যু রুলস, ২০১৫ প্রণয়ন করার আগে বেশকিছু কোম্পানি প্রিমিয়াম নিয়ে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হওয়ার আবেদন করে। কিন্তু পরবর্তীতে এসব কোম্পানিকে নতুন আইনের অধীনে অর্থাৎ রোড শো করার মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়।

কোম্পানিগুলো হলো: আফতাব হ্যাচারি, অ্যান্ড টেলিকম, করিম স্পিনিং, মদিনা সিমেন্ট ইন্ডাষ্ট্রিজ, সামিট উত্তরাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, আমান সিমেন্ট মিলস, সামশুল আলামিন রিয়েল স্টেট, এসটিএস হোল্ডিংস এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল লিমিটেড।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.