সাপ্তাহিক বাজার: লেনদেন বাড়লেও কমেছে সূচক

price-up-downশেয়ারবাজার রিপোর্ট: সপ্তাহ শেষে দেশের উভয় শেয়াবাজারে লেনদেন বাড়লেও কমেছে মূল্যসূচক। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৩ দিনই সূচকের পতন হয়েছে। সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারায় সপ্তাহের প্রথম দিন লেনদেন শেষ হলেও একদিনের ব্যবধানে আবার পতন ঘটে। তৃতীয় দিন সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও চতুর্থ ও পঞ্চম দিন টানা পতন ঘটে। আর এ কারণে সপ্তাহ শেষে ডিএসই সূচক ফের সাড়ে ৪ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে আসে। সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স কমেছে ৩৭.১৬ পয়েন্ট।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৪৭২.১৪ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেয়া মোট ৩২০ টি ইস্যুর মধ্যে ১০৯টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৯২টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির দর। আর ৩টি ইস্যুর কোন লেনদেন হয়নি। যা টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৯৫ কোটি ৬ লাখ ৪৫ হাজার ২৩৮ টাকা।

এর আগের সপ্তাহের ডিএসই ব্রড ইনডেক্স অবস্থান  করে ৪৫০৯ পয়েন্টে। সে সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১৮৮ কোটি ৯২ লাখ ১১ হাজার ৩০৯ টাকা। সে হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৫০.৯৮ শতাংশ।

আলেচিত সপ্তাহে ডিএসইতে শেয়ার লেনদেন হয়েছে মোট ৩৫ কোটি ২৮ লাখ ১০ হাজার ৪১৮টি। যা আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৫ কোটি ৫২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫টি। সে হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে শেয়ার লেনদেন বেড়েছে ৩৮.২২ শতাংশ।

সপ্তাহ শেষে ডিএসই বাজার মূলধনের পরিমাণ কমেছে। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ১৪ হাজার ১৭৪ কোটি টাকারও বেশী। আর সপ্তাহ শেষে তা কমে হয়েছে ৩ লাখ ১৩ হাজার ১৪৯ কোটি টাকায়। সপ্তাহ শেষে বাজার মূলধন কমার হার ০.৩৩ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৫.৪৮ শতাংশ, ‘বি’ ক্যাটাগরির ১.৪৬ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির ৮.১২ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৪.৯৫ শতাংশ।

এদিকে সপ্তাহ শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ০.১৬ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৭৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০১টির, কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫ কোম্পানির শেয়ার দর। যা টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১৪৪ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৪৬১টাকা। আর আলোচিত সপ্তাহে সিএসইতে মোট ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

 

শেয়াবাজার/অ

 

আপনার মন্তব্য

Top