আজ: সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২ইং, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৩ জানুয়ারী ২০১৭, মঙ্গলবার |



kidarkar

অর্থ নিয়ে যে ৫ ভুল কখনো করতে নেই

500x350_ef935f73a41a5f82fb1b46dc7d4ad767_1-5শেয়ারবাজার ডেস্ক: আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ওয়ারেন বাফেট এবং মার্ক কিউবানস অফ দ্য ওয়ার্ল্ড কীভাবে দিন যাপন করেন?

এটা নিশ্চিত তাদের কিছু না কিছু অসংযত অভ্যাস আছে। কিন্তু এটাও উচ্চ সম্ভাব্য যে তারা একই অর্থ ব্যবস্থাপনা নীতি মেনে চলেন।

যা তাদেরকে তাদের সম্পদ বাড়াতে ও রক্ষা করতে সহায়তা করে।

এমনকি আপনি যদি এখনো নিজের কোনো অর্থ জমা করতে সক্ষম না হয়ে থাকেন আপনি নিজেও একই কাজগুলো করে উপকৃত হতে পারেন। পাঁচ ভুল হলো:

১. তারা যা আয় করেন তার সবই ব্যয় করেন না
বেশিরভাগ মানুষই প্রথমে জীবন ধারনের জন্য ব্যয় করেন। এরপর তারা জীবনকে উপভোগ করার জন্য যা কিছুর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তার পেছনে ব্যয় করেন। আর বাকী যা থাকে তা সঞ্চয় করেন।

কিন্তু সফল লোকরা প্রথমে জীবন ধারনের জন্য ব্যয় করেন। এরপরই তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ আলাদা করেন রাখেন। এভাবে একটা সময়ে তারা কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করেন।

২. তারা তাদের সম্পদ বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন না
সম্পদশালীরা একটি ভালো বেতনের চাকরি নিশ্চিত করার পরপরই থেমে যান না। তারা প্রতিনিয়তই নিজেদের ব্যক্তিগত এবং আর্থিক অবস্থার উন্নয়নের উপায় সন্ধান করতে থাকেন। এটি হতে পারে বেতন বৃদ্ধি বা প্রমোশনের চেষ্টা করে, পরিশ্রমহীন কোনো আয়ের উপায় বা ব্যবসা করে। তবে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি তারা একইহারে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়ান না।

এরা আর্থিক বাজারে অনেক বিনিয়োগও করেন। তারা ক্ষতির সম্ভাবনাটুকু বুঝেন। তবে নিয়মিত বিনিয়োগ করার মাধ্যমে তারা দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের সুযোগ দেখতে পান।

৩. তারা আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আবেগ দিয়ে তাড়িত হন না
বিনিয়োগ বেচা-কেনায় অনুভূতি বা আবেগতাড়িত হয়ে তারা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। বরং তাদের দীর্ঘ-মেয়াদি লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং কৌশলগুলো মাথায় রেখেই তারা সিদ্ধান্ত নেন।

তারা একটি সার্বিক পরিকল্পনা তৈরিতে বিশ্বাস করেন এবং সে পরিকল্পনা অনুসরণ করেন। তারা খেয়াল খুশি মতো বিনিয়োগ করেন না বরং বুঝে-শুনে ধীর-স্থিরভাবে বিনিয়োগ করেন।

আর বোধগম্যভাবেই আর্থিক ব্যবস্থপনার ক্ষেত্রে আবেগকে সবসময় পুরোপুরি দুরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আর এ কারণেই এমন একটি পদ্ধতি গড়ে তুলতে হবে যা অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রতিরোধ করবে। এজন্য কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে অন্তত ২৪ ঘন্টা সময় নিয়ে মাথা ঠাণ্ডা করার কাজ করতে হবে। অথবা নতুন কোনো বিনিয়োগ কেনার নিরাপদ সময় কখন তা নির্ধারণের জন্য নীতিমালা তৈরি করতে হবে।

৪. তারা তাদের সব ডিম একই ঝুড়িতে রাখেন না
অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তার জন্য তারা তাদের নিয়োগকর্তার নিজস্ব স্টকের ওপর নির্ভর করেন না। বা তাদের পুরো সঞ্চয় রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে ব্যয় করেন না। সফল লোকরা বেশ কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন সম্পদের উৎস স্থাপনের পরিকল্পনা করেন। এরপর সেগুলোকে সার্বিকভাবে একটি বড় পোর্টফোলিওর অংশ হিসেবে দেখেন।

৫. তারা একা একা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না
আর্থিকভাবে সফল লোকরা নিজেদের জীবন-জীবিকা নিয়ে জুয়া খেলেন না। অন্যকথায় তারা যদি নিশ্চিত না হন কীভাবে বড় কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে তখন তারা অন্যদের সাহয়তা নেন। বেশিরভাগ সময়ই তারা এই সিদ্ধান্ত নেন বিশেষজ্ঞ কোনো লোকের কাছ থেকে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.