আজ: শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, শনিবার |



kidarkar

সেকেন্ডারিতে প্রবেশ করছে নতুন বিনিয়োগকারী

dse-cse-aameranew-logo_6154_6429-copyশেয়ারবাজার রিপোর্ট: আগের যেকোন সময়ের তুলনায় বর্তমান পুঁজিবাজার অনেক গতিশীল। বাজারে স্থায়ী স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নীতি নির্ধারণী মহল সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও বাজারে তারল্য প্রবাহ ধরে রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। তাই বাজার সংশ্লিষ্ট সব মহল থেকে এরকম ইতিবাচক কর্মকান্ডে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও আস্থা ফিরে পাচ্ছেন। বাজারে চলমান স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী হবে এমন প্রত্যাশায় নতুন বিনিয়োগকারীরাও প্রবেশ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত জানুয়ারি মাসে বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব খোলার পরিমাণ ১০ হাজারেও বেশি বেড়েছে ।

সিডিবিএলের তথ্য মতে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে বিও হিসাবের সংখ্যা ছিলো ২৯ লাখ ৪১ হাজার ৮৬৮টি। সেখান থেকে বিও বেড়ে ৩১ জানুয়ারি দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৫২ হাজার ২৬৫টিতে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে বিও হিসাব ১০ হাজার ৩৯৭টি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের তুলনায় বাজার ভাল হওয়ার বিনিয়োগকারীরা এখন প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও’র জন্য বিও হিসাব খুলছে না। ফলে এখন যারা বিও হিসাব খুলছেন, তারা সবাই সেকেন্ডারি মার্কেটের জন্য বিও হিসাব খুলছেন। সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগ করছেন।

এর ফলে আলোচিত এ মাসে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে মোট ২৩ কার্যবিদস লেনদেন হয়েছে। এতে দেশের পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩৪ হাজার ২৩২ কোটি ০১ লাখ ৫১ হাজার ৪৫১টাকার লেনদেন হয়েছে। গড়ে দৈনিক লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকার। যা গত ছয় বছরের মধ্যে এক মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন।

আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বিএসইসির তথ্যমতে, নভেম্বর মাসের আগে সেকেন্ডারি মার্কেটে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজারের মতো বিও হিসাব থেকে শেয়ারের কেনাবেচা হয়েছিল। সেখান থেকে বেড়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত  ৭৫ থেকে ৮০ হাজারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৭৫ হাজারের বেশি বিও হিসাব থেকে শেয়ার কেনাবেচা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক শাকিল রিজভী শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে জানান, বিগত ছয় বছর পর পুঁজিবাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। যার নেপথ্যে রয়েছে সরকারসহ নীতিনির্ধারণী মহলের সক্রিয় অবস্থান। এতোদিনের বাজার মন্দায় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর তলানিতে পড়ে ছিল। তাই অল্প দামে ভাল কোম্পানির শেয়ার কিনে ভালো মুনাফা পাওয়ার আশায় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে ফিরছেন। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের সংখ্যাও বাড়ছে।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু/ম.সা

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.