আজ: মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১ইং, ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৫ মার্চ ২০১৭, বুধবার |


kidarkar

আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড বন্ধের অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি

BSECশেয়ারবাজার রিপোর্ট: স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডটি বন্ধ করে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। আজ বুধবার কমিশেনর ৬০০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

জানা যায়, আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত  ফান্ডটি আগামী ২০ মার্চ, ২০১৭ তারিখে ১০ বছর মেয়াদ পূর্ণ করবে বিধায় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ অনুয়ায়ী ফান্ডটির অবলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এর আগে আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডটি বন্ধ করে দেওয়ার বিএসইসির কাছে আবেদন করে  ফান্ডটির ট্রাস্টি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ফান্ডটি বন্ধ করার জন্য অনুমোদন দেয় বিএসইসি।

ফান্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।

আইন অনুযায়ী ফান্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণের ক্ষেত্রে ইউনিট মালিকগণের সভার প্রয়োজন হয় না। তাই  ট্রাস্টি ফান্ডটির অবসায়নের দায়িত্ব নিবে। ট্রাস্টি ফান্ডটির সকল সম্পদ থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইউনিট অনুপাতে মালিকদের হাতে হস্তান্তর করবে। এর আগে প্রাপ্ত অর্থ থেকে ফান্ডটির সকল দায় শোধ করা হবে। তারপর অবলুপ্ত সহ বিদ্যমান সকল ব্যয় পরিশোধ করা হবে। এরপর যে টাকা থাকবে তা’ই মালিকদের দেওয়া হবে।

ফান্ডটির অর্ধ বার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ফান্ডটির সম্পদের পরিমাণ ৩২ কোটি ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৯ টাকা। ফান্ডটির হাতে থাকা সম্পদের ক্রয়মূল্যে ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৩০ টাকা ৬০ পয়সা। আর বিক্রয় মূল্যে এনএভি ২১ টাকা ৩৫ পয়সা।

আলোচিত সময়ে ফান্ডটির প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ৬০ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬৪ টাকা এবং ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৬১ পয়সা।

এদিকে ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত সেকেন্ডারি শেয়ার বাজারে ফান্ডটির পোর্টফোলিও বিনিয়োগ ক্রয়মূল্যে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯০৬টি শেয়ারে ২৮ কোটি ৯৫ লাখ ৩ হাজার ৩৯৩ টাকা।  ওই দিনের বাজার মূল্যে বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ১৭ হাজার ২৬৯ টাকা। দেখা যাচ্ছে সেকেন্ডারি মার্কেটে ফান্ডটির পোর্টফোলিও বিনিয়োগ ৯ কোটি ২৪ লাখ ৮৬ হাজার ১২৩ টাকা লোকসানে।

ফান্ডটি ২০১৬ সালে ২ কোটি টাকা মুনাফা করে ইউনিট হোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

১০ কোটি টাকা আকারের ফান্ডটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকের কাছে ১ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানের কাছে ৪৬.০৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ০.১৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৫২.৮৪ শতাংশ ইউনিট রয়েছে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ডিএসই-তে ফান্ডটির সমাপনি দর হয়েছে ২৩ টাকা ৯০ পয়সা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ফান্ডটির ইউনিট দর ১৮ টাকা থেকে বেড়ে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা হয়েছিল।

 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.