আজ: মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ইং, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৪ জানুয়ারী ২০২১, সোমবার |

kidarkar

বাংলাদেশ ঠিক সময়মতে টিকা পাবে: রাব্বুর রেজা

শেয়ারবাজার রিপোর্টঃ ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ঠিক সময়েই করোনা টিকা পাবে বলে জানিয়েছে সেরামের বাংলাদেশি অংশীদার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার, বেক্সিমকো ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় অনুমোদনের পর (বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন) সেরাম ইনস্টিটিউট এক মাসের মধ্যেই প্রথম ধাপের টিকা সরবরাহ করবে। আমরা বিশ্বাস করি ঠিক সময়েই করোনা টিকা পাব। আমরা তাদের (সেরাম) সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনার টিকা ভারতে উৎপাদন করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। ওই টিকা কেনার জন্য সরকার গত ১৩ ডিসেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, ছয় মাসে ৫০ লাখ করে মোট তিন কোটি টিকা পাওয়ার কথা বাংলাদেশের।

প্রসঙ্গত, ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) গতকাল রোববার সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের দেয়।

ভারতের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের টিকা প্রাপ্তিতে সহায়তা করবে মনে করা হচ্ছিল। তবে গতকাল ও আজ রয়টার্স, এপিসহ বিভিন্ন বার্তা সংস্থা ও একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমে সেরামের প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালার সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর বাংলাদেশের দ্রুত টিকা পাওয়া নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট বলেছে, তারা আগামী দুই মাসে ভারতে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করবে। তারপরই রপ্তানির উদ্যোগ নেবে তারা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালা গতকাল এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান। তিনি বলেন, ভারতের সরকারকে প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহের পরই রপ্তানি করা সম্ভব হতে পারে।

ওই সাক্ষাৎকারের বিষয়ে বেক্সিমকোর সিওও রাব্বুর রেজা বলেন, আমার মনে হয়েছে, যেকোনো দেশই তাদের নাগরিকদের প্রথম প্রাধান্য দেয়। কিন্তু এর ফলে আমাদের সঙ্গে করা কোনো চুক্তির বরখেলাপ হবে না। আমরা ছয় মাসে তিন কোটি ডোজের চুক্তি করেছি। সেরাম ইতিমধ্যেই পাঁচ কোটি ডোজ বানিয়ে ফেলেছে। তাদের চাহিদার তুলনায় আমাদের চাহিদা সামান্য। সে ক্ষেত্রে টিকা প্রাপ্তিতে কোনো অসুবিধা হবে না।

শেয়ারবাজারনিউজ/মা

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.