আজ: শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১ইং, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৪ মে ২০২১, সোমবার |


kidarkar

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে ১১ ব্যাংকের বন্ড

শেয়ারবাজার ডেস্ক: ডেট সিকিউরিটিজ আইন যুগোপযোগী করে পারপিচুয়াল বন্ডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ইতোমধ্যে অনুমোদন পাওয়া ১১টি ব্যাংকের ৫ হাজার একশ কোটি টাকার পারপিচুয়াল বন্ড সরাসরি তালিকাভুক্ত হচ্ছে।

রোববার বিএসইসি এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

জানা গেছে, পারপিচুয়াল বন্ডের কোন মেয়াদ থাকে না। কোম্পানি প্রত্যাহার করে নেওয়া না পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকে।

এর আগে বিএসইসির ৭৭৪তম কমিশন সভায় এই ১১টি ব্যাংকের বন্ড পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে এই বন্ড পুঁজিবাজারে সুচকে কোন ধরণের প্রভাব ফেলবে না। সূচকে প্রভাব না পড়লেও বাজার মূলধনে বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বন্ড।

এ বিষযে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১টি ব্যাংকের ৫ হাজার একশ কোটি টাকা পারপিচুয়াল বন্ড পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হচ্ছে। আগামীতে যে সকল পারপিচুয়াল বন্ডের অনুমোদন দেওয়া হবে তার ১০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্ধ থাকবে।

বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য কোন ইস্যুয়ার পারপিচুয়াল বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করতে চায় তবে তাকে অবশ্যই প্রস্তাবিত পারপিচুয়াল বন্ডের মাধ্যমে করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে অর্থের ১০ শতাংশ পাবলিক অফারের মাধম্যে সংগ্রহ করতে হবে। এখানে বাজার মধ্যস্থকারী প্রতিষ্ঠান তথা মার্চেন্ট ব্যাংক এন্ড পোর্টফোলিও মানেজার, এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং স্টক ডিলার তদের নিজস্ব পোর্টফোলিওর কমপক্ষে ৩ শতাংশ আাগারী ৩০ জুন,২০২২ এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাতুক্ত ডেট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পোর্টফোলিওর কমপক্ষে ৩ শতাংশ পুঁজিবাজারের তালিকাতুক্ত ডেট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে। যা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের নিশ্চিত করবে।

সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া ১১টি ব্যাংকের বন্ডগুলো হলো- যমুনা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক,ট্রাস্ট ব্যাংক ও ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) চারশত কোটি টাকা করে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক ও এসআইবিএল ব্যাংকের পাঁচশত কোটি টাকা করে। অন্যদিকে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডর ছয়শত কোটি টাকা করে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.