আজ: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ইং, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৭ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৯ অক্টোবর ২০২১, শনিবার |

kidarkar

মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে অনেক দূরে নিতে চাই: বিএসইসি চেয়ারম্যান

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কোনও প্রচার-প্রচারণা নেই। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে এ খাতকে পপুলার করতে হবে। আমরা মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে অনেক বড় দেখতে চাই। তাই এ খাতটির উন্নয়নে যে সঠিক সময় যাচ্ছে, তা আমরা নিতে চাই। মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনেক ভালো পারফরমেন্স করছে। এতে আমরা খুশি। এ খাতটিকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিতে চাই।

শনিবার (৯ অক্টোবর) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উপলক্ষে ‘ইনস্টিটিউশনাল রোল ইন সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডস (এএএমসিএমএফ) কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এএএমসিএমএফের প্রেসিডিন্টে ও বাংলাদেশ রেস ম্যানেজমেন্টর সিইও ড. হাসান ইমাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী। এছাড়া আলোচক হিসেব উপস্থিত ছিলেন ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের এমডি আবুল হোসেন, সিডাব্লিউটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের এমডি মোনিজা চৌধুরী এবং অ্যালায়েন্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সিইও ও এমডি খন্দকার আসাদুল ইসলাম। আর অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অল্টারনেটিভ ইনভেস্ট ম্যানেজমেন্টের সিইও ও ম্যানেজিং পার্টনার আজার চৌধুরী।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো যদি প্রচারণায় অনেক খরচ মনে করেন, তাহলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে করেন। আমিতো যখনই আইপিএলের খেলা দেখতে বসি, তখনই ওই দেশের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিজ্ঞাপন দেখি। তার মানে ওরা ফান্ড জনপ্রিয় করেছে। ওদের ফান্ডের আকার অনেক বড়। তো আমাদের ফান্ডগুলোকেও এখনই বড় করতে প্রচারণায় নামতে হবে। একইসঙ্গে কোনও নেতিবাচক বা সন্দেহ থাকলে, তা দূর করতে হবে। এছাড়া কারও কোন প্রশ্ন থাকলে, তার উত্তর দিতে হবে।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে প্রতিদিন কমপক্ষে ২ জন লোক ফোন করে কোন মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করবে তা জানতে চায়। যেখানে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সকল শ্রেণির মানুষ ফোন করে। তারা কোন ফান্ডে বিনিয়োগ করবে, তা জানতে চায়। এছাড়া কেমন রিটার্ন দেয়, তা জানতে চায়। এ বছর ফান্ডগুলো অনেক ভালো রিটার্ন দিয়েছে। তারা অনেক ভালো করছে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আকার মাত্র ১৫ হাজার কোটি টাকা। এতো ছোট কেন হবে। সবাইকে এই ১৫ হাজার কোটির আকারকে কিভাবে দেড় লাখে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। আপনারা আমাদের কে বলেন, কি করতে হবে, কোথায় সমস্যা। আমরা আপনাদেরকে আইনগতভাবে সব সহযোগিতা করব। কেন আপনারা বলছেন না, ফান্ডের আকার বাড়ানো দরকার। কোথায় বাধা আছে, তা জানান। যারা ভালো পারফরমেন্স করছে, তাদেরকে উৎসাহিত করব। কিন্তু যারা পারফরমেন্স করছে না, তাদেরকে এতো উচ্চ ফি নিতে দেব না।

তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ভূমিকা। এই বাজারের স্ট্যাবলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো দক্ষ ও শিক্ষিত জনবল আর কোথাও পাওয়া যায় না। এ কারণে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের দায়িত্বরতদের প্রতি আমাদের আকাঙ্ক্ষা অনেক। মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাত সংশ্লিষ্টদের বুদ্ধিমত্তা ও বিবেচনাকে কাজিয়ে লাগিয়ে শেয়ারবাজার নিয়ে যে ভয়, শঙ্কা ও বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়, এখন থেকে বের করে নিয়ে আসতে হবে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনেক কিছু করার আছে।

৩ উত্তর “মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে অনেক দূরে নিতে চাই: বিএসইসি চেয়ারম্যান”

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.