আজ: বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ইং, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৬ জুলাই ২০২২, বুধবার |



kidarkar

খাদ্য প্যাকেজিংয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেগওয়ার্কের টলুইনমুক্ত কালি

শেয়ারবাজার প্রতিবেদক: সারা বিশ্বে প্যাকেজিং অ্যাপ্লিকেশন ও লেবেলের জন্য প্রিন্টিং ইংক ও কোটিং সরবরাহকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান সেগওয়ার্ক বুধবার (৬ জুলাই ) এক মিডিয়া কনফারেন্সের আয়োজন করে। অংশীদারদের মধ্যে টলুইনের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করাই ছিল এই কনফারেন্সের উদ্দেশ্য। খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় টলুইনমুক্ত প্রিন্টিং ইংকের গুরুত্বও এখানে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের গ্রাহকদের উন্নত মানের পণ্য ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে পণ্য ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে সেগওয়ার্ক।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সেগওয়ার্ক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট আশীষ প্রধান, কান্ট্রি হেড বাংলাদেশ অংশুমান মুখার্জি, সেগওয়ার্ক ইন্ডিয়ার হেড- প্রোডাক্ট সেইফটি অ্যান্ড রেগুলারিটি যতীন টাক্কার ও সেগওয়ার্ক ইন্ডিয়ার কনসালট্যান্ট -ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন প্রিয়দর্শিনী ভারদেভু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপদ প্যাকেজিং ইংকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সেগওয়ার্ক দীর্ঘ সময় ধরে সচেতন। নিরাপদ কালি তাদের কার্যক্রমের একটি প্রধান নীতি। পণ্য নিরাপত্তা বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়। এই বিষয়ে কাজ করার জন্য তাদের একটি বিশেষজ্ঞ দলও রয়েছে।

বিষাক্ততার কারণে টলুইন বিশ্বব্যাপী পরিচিত। নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাবের ফলে এটি ভোক্তা, পেশাগত ও পরিবেশগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। ক্ষতিকর প্রভাবের জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন টলুইনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিএমআর ক্যাটাগরি ২ (সন্দেহ করা হয় যে, এটি অনাগত সন্তানের ক্ষতি করতে পারে) হিসেবে শ্রেণীভুক্ত করেছে। এছাড়া টলুইনযুক্ত কালি দিয়ে ছাপানো হলে অবশিষ্ট টলুইন প্যাকড খাদ্য বা পানীয়ের সাথে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এটি পণ্যের অর্গানোলেপটিক বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে, যা খাদ্যের মান, নিরাপত্তা, এমনকি আইনি সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। এসব কারণে বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডের স্বত্বাধিকারীরা তাদের পণ্যের খাদ্য প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে টলুইনের ব্যবহার সীমিত বা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছেন।

সেগওয়ার্ক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট আশীষ প্রধান মিডিয়া কনফারেন্সে বলেন, “সকল কার্যক্রমে নিরাপদ কালি ব্যবহার করার ব্যাপারে সেগওয়ার্ক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এর ফলে পৃথিবীজুড়ে সেগওয়ার্কের কারখানাগুলোতে টলুইনমুক্ত কালি উৎপাদনেও আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের গ্রাহকরাও আমাদের এই প্রতিশ্রুতির আওতাভুক্ত। শুরু থেকেই সেগওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রাহকদের টলুইনমুক্ত কালি সরবরাহ করে আসছে।”

সেগওয়ার্ক একটি ষষ্ঠ প্রজন্মের পারিবারিক মালিকানাধীন কোম্পানি। প্যাকেজিং, লেবেল ও কোটিংয়ের জন্য প্রিন্টিং ইংক ও কোটিং উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ১৮০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্বৃদ্ধ কোম্পানিটির নানা ধরনের প্রিন্টিং পদ্ধতি নিয়ে যথেষ্ট দক্ষতা ও জ্ঞান রয়েছে। এই বৈশ্বিক উৎপাদনকারী ও পরিষেবা নেটওয়ার্কটি গ্রাহকদের নিয়মিত উন্নত মানের পণ্য ও সেবা প্রদান করে আসছে। “কালি, হৃদয় ও আত্মা (Ink, Heart and Soul)” — নিজেদের এই দর্শনের কথা মাথায় রেখে সেগওয়ার্ক তার ব্যবসায়িক পার্টনারদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। পৃথিবীজুড়ে সেগওয়ার্কের ৩০টির বেশি দেশের সংস্থায় প্রায় ৫,০০০ জন ব্যক্তি কর্মরত আছেন। কোলোনের নিকটবর্তী সেগবুর্গে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। সেগওয়ার্কের ব্যাপারে আরো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এখানে: www.siegwerk.com

 

 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.