আজ: মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২ইং, ১৯শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৭ জুলাই ২০১৫, সোমবার |


kidarkar

এগিয়ে শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলো


islami bankশেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রচলিত ব্যাংকগুলোর তুলনায় শরিআ’হ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর প্রবৃদ্ধির হার বাড়ছে। এর পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ খেলাপি প্রবণতা কম থাকা এবং কর্পোরেট ঝুঁকি মোকাবেলা করার সক্ষমতাসহ সব কয়টি সূচকেই প্রচলিত ব্যাংকগুলোর তুলনায় এগিয়ে আছে শরিআ’হ ভিত্তিক ব্যাংকগুলো।

আজ রোববার প্রকাশিত ২০১৪ অর্থবছরের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০১৪তে এসব তথ্যচিত্র উঠে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ রিপোর্টে উঠে আসে সম্পদ, আমানত সংগ্রহ, বিনিয়োগ, ঋণসহ প্রতিটি সূচকেই শরিআ’হ মোতাবেক পরিচালিকত ব্যাংকগুলো অধিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে। যা ২০১৩ অর্থবছরের তুলনায় আরও বেড়েছে।

ঋণ নন-পারফর্মিং বা অনিয়মিত হয়ে যাবার প্রবনতাও ইসলামি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে কম। শরিআ’হ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর নন-পারফর্মিং ঋণের অনুপাত যেখানে মাত্র ৪.৮০ শতাংশ সেখানে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এ অনুপাত প্রায় দ্বিগুন। এদিকে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও বাজারে ইসলামি ব্যাংকগুলোর শেয়ার সংখ্যা সেভাবে বাড়েনি। যা ব্যাংকগুলোর ভিত্তিকে আরও মজবুত করছে। দেশের ব্যাংকিং খাতের মোট শেয়ারের মাত্র এক পঞ্চমাংশ ইসলামি ব্যাংকগুলোর।

অন্যদিকে মুনাফা বাড়ার ক্ষেত্রেও ইসলামি ব্যাংকগুলো প্রচলিত ব্যাংকগুলোর তুলনায় এগিয়ে আছে। ইসলামি ব্যাংকিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি প্রবলেম ব্যাংক থাকা সত্বেও ব্যাংকগুলোর রিটার্ণ অন ইক্যুইটি (আরওই) এবং রিটার্ন অন অ্যাসেট (আরওএ) ব্যাংক শিল্পে সর্বোচ্চ। আরওএ এবং আরওই ব্যাংকের মুনাফার পরিমাণ নির্দেশ করে। শরিআ’হ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) অন্যান্য ব্যাংকগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে। আমানত-সম্পদের হিসাবে ইসলামি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ৪০ শতাংশ এবং ব্যাংকিং শিল্পের ৭ শতাংশই ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

অন্যদিকে, দেশে শরিআ’হ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্যাসেল অ্যাকর্ড পরিপালনের প্রবনতাও বেশি। ৮টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকের মধ্যে একটি প্রবলেম ব্যাংক বাদে বাকি সব কোম্পানিই ব্যাসেল অ্যাকর্ড অনুযায়ি যথেষ্ট মূলধন অনুপাত নূণ্যতম ১০ এ রাখাতে পেরেছে। যা ব্যাংক খাতের প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর অনেকেই পরিপালন করতে পারেনি। ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ-আমানত অনুপাতও আগের বছরের তুলনায় ২০১৪তে সামান্য পরিমানে কমেছে। এ খাতে নতুন করে নয়টি ব্যাংককে অনুমোদন দেয়া হলেও ইসলামি ব্যাংকগুলোর ব্যবসা পরিস্থিতি আগের তুলনায় ভালো হচ্ছে।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ওহসি/সা/আহাতু


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.