আজ: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪ইং, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার |

kidarkar

সিএসইর কৌশলগত বিনিয়োগকারী এবিজি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) কৌশলগত বিনিয়োগকারী (স্ট্যাটেজিক ইনভেস্টর) হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের এবিজি লিমিটেডকে অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।এই গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবিজি লিমিটেড সিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ার কিনবে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিএসইসির ৮৪০তম নিয়মিত কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ও আবেদনের প্রেক্ষিতে কমিশন এবিজি লিমিটেডকে কতিপয় শর্ত ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন সাপেক্ষে নীতিগত অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

প্রস্তাবে অনুসারে, এবিজি লিমিটেড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে ১৫ টাকা দরে সিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ার কিনবে।

স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করা সংক্রান্ত আইন ডিমিউচুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট অনুসারে, কৌশলগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্লকড শেয়ারের ৬০ শতাংশ বিক্রি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জের মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করতে হবে।

এরপর বাকি ৩৫ শতাংশ শেয়ার ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করতে হবে।

অন্যদিকে ৪০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা থাকে স্টক এক্সচেঞ্জ বা ব্রোকারেজ ফার্মের সদস্যদের কাছে।

আইনী বাধ্যবাধকতার আলোকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তাদের ২৫ শতাংশ শেয়ার দুই কৌশলগত বিনিয়োগকারী শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে হস্তান্তর করে। ডিএসই প্রতিটি শেয়ার ২১ টাকা দরে ২৫ শতাংশ শেয়ার ৯৬২ কোটি টাকায় বিক্রি করে। তবে সিএসই তাদের পছন্দমত কোনো প্রস্তাব না পাওয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদন করে কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে নিয়েছে। এবার ওই জটিলতার অবসান হচ্ছে।

সিএসই প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে। বর্তমানে এর পরিশোধিত মূলধন ৬৩৪.৫২ কোটি টাকা এবং শেয়ারের সংখ্যা ৬৩.৪৫ কোটি। ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সিএসই তার শেয়ারহোল্ডারদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।

গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সিএসইর নিট মুনাফা ছিল ২৮.৩৪ কোটি টাকা, যা আগের বছরে ছিল ৩১.৮৮ কোটি টাকা।

একই সময়ে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪৫ টাকা এবং এর শেয়ার প্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু ছিল ১১.৭৫ টাকা।

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এবিজি লিমিটেডেরও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। প্রতিষ্ঠানটি সিএসইর সঙ্গে দেশে পণ্য বিনিময় প্রতিষ্ঠারও চেষ্টা করছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.