আজ: শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ইং, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, রবিবার |

kidarkar

আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাই। আর বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতেই বিনিয়োগ ভবণ নির্মাণ করা হয়েছে।

রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ করেছি। আসলে এটা ছিল বিনিয়োগ বোর্ড, মৎস ভবনের একটা ফ্লোরে এটা ছিল। আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাই। এখন বিদেশিরা যখন আসবেন, দেখবেন, বিনিয়োগ করবেন… আসলে ভালোভাবে দেখলে ভালো বিনিয়োগ হবে, ভালোভাবে না দেখলে ভালো বিনিয়োগ হবে না। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে, আমরা আলাদা একটা সুন্দর ভবন করে দেব। সেখানে যারা কাজ করবেন তারা করবেন তারা যেন সুন্দর পরিবেশে মনে শান্তি নিয়ে কাজ করতে পারেন, পাশাপাশি সেখানে যারা আসবেন বিদেশ থেকে তারাও যেন সুন্দরভাবে কাজ করতে পারেন। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।’

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে ৪৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রেখে গিয়েছিলাম। ২০০৯ সালে এসে দেখলাম সেটা কমে ৩০০০ মেগাওয়াটের দিকে নেমে গেছে। আমি জানি না কোনো দেশ পেছনের দিকে যায় কি না। আজকে দেশে শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের প্রত্যক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেব, আমরা পৌঁছে দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন,আমরা যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করি তা উৎপাদন করতে প্রতি ইউনিটে খরচ হয় ১২ টাকা। আর সেখানে আমরা নিচ্ছি ৬ টাকা। তাতে অনেক কথা শুনতে হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে বিদ্যুতের দাম ১৫০ শতাংশ বেড়েছে, এটা সবার মনে রাখতে হবে। আমরা সেই পর্যায়ে যাইনি। গ্যাস, বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া যাবে যদি খরচ যা হয় সেটা সবাই দেয়। কত ভর্তুকি দেওয়া যায়? আর এই ক্ষেত্রে কেন ভর্তুকি দেব? ভর্তুকি দিচ্ছি আমরা কৃষিতে, খাদ্য উৎপাদনে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমারা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত করতে চেয়েছিলাম। অত্যন্ত সফলভাবে সেটা আমরা করতে পেরেছি।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, জেনারেটরের ওপর যে ট্যাক্স ছিল, সেটা আমরা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলাম। প্রতিটি ছোট কোম্পানি যাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে সে ব্যবস্থাও করেছিলাম, যাতে নিজেরা উৎপাদন করে নিজেরা ব্যবহার করে, আবার অন্যদের দিতে পারে। ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে ভালোভাবে চলে, বিনিয়োগ আসে সেই চেষ্টা আমরা করি।

করোনা যাতে মোকাবিলা করতে পারি সেজন্য বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পকারখানা চালু থাকে। প্রণোদনা দেওয়ার ফলেই অর্থনীতির গতিটা সচল রয়েছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা। আমাদের সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাংলাদেশ এখন ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারে। বাঙালি পারে। একটা চ্যালেঞ্জ ছিল পদ্মা সেতু নিয়ে। এ সেতু তৈরিতে মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। আমি বলেছিলাম নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু করব, করেছি। এক্ষেত্রে জনগণ আমাকে সমর্থন করেছিল।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.