আজ: শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ইং, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৪ মার্চ ২০২৩, শনিবার |

kidarkar

বাংলাদেশ কংগ্রেসের ১০ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতিষ্ঠার এক দশক পার করলো নিবন্ধিত রাজনৈতিদ দল বাংলাদেশ কংগ্রেস। ‘কংগ্রেসের মূলনীতি, সুস্থ ধারার রাজনীতি’ এই স্লোগান নিয়ে ২০১৩ সালের ৪ মার্চ প্রতিষ্ঠা লাভ করে দলটি। অতঃপর নিবন্ধনের সকল শর্ত পুরণ সাপেক্ষে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১৯ সালের ৯ মে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন (৪৪ নং) পায় দলটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনস্বার্থ বিরোধী যে কোন সরকারি বা বেসরকারি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার ভূমিকা পালন করছে দলটি।

দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আগামী দিনে সুষ্ঠু নির্বাচন ও পূর্ণ গণতান্ত্রিক বিকাশের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম।

আগামী ১০ মার্চ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন এবং ৩য় ত্রিবার্ষিক জাতীয় কাউন্সিল করবে বাংলাদেশ কংগ্রেস।
আজ সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

নিবন্ধনের পর অনেকগুলো সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন ও স্থানীয় সংসদ নির্বাচনে নিজস্ব প্রতীক ‘ডাব’ নিয়ে অংশ গ্রহন করে বাংলাদেশ কংগ্রেস।

বাংলাদেশ কংগ্রেস রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন এবং দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার সংষ্কারে আন্দোলনে নামে। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন এবং দেশের বিদ্যমান নির্বাচন ব্যবস্থাকে সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক অভিহিত করে বাংলাদেশ কংগ্রেস “নির্বাচন কমিশন আইন”-এর খসড়া প্রনয়ণ করে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত শিথিল করতে এবং একটি স্থায়ী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন করতে। তৎসত্ত্বেও কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় হাই কোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে দলটি যার ফলশ্রুতিতে “প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২” প্রণয়ন করে সরকার।

নির্বাচন কমিশনের সংলাপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস সব ধরণের নির্বাচনে ইভিএম-এর পরিবর্তে ব্যালটে ভোট গ্রহনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে এবং ইভিএম-এ প্রিন্টিং অপশন চালু করে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান নিশ্চিত হতে পদ্ধতি প্রণয়নের অনুরোধ করে।

প্রচলিত ধ্বংসাত্মক, নীতিহীন ও দূর্বৃত্তায়নের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে মেধা ও প্রযুক্তি নির্ভর “সুস্থ ধারার রাজনীতি” চর্চার মাধ্যমে দেশের রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে চেয়ারম্যান ও মহাসচিব হিসেবে দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন ও এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম।

রাজধানীর বাংলামোটরে বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। দেশের প্রায় চল্লিশটি জেলা ও দেড় শতাধিক উপজেলায় দলের কমিটি ছাড়াও অসংখ্য ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ডে রয়েছে দলের সক্রিয় কমিটি ও কার্যক্রম। আগামী সংসদ নির্বাচনে দলটি এককভাবে অংশগ্রহনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.