আজ: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ইং, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৭ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৬ মার্চ ২০২৩, সোমবার |

kidarkar

সামিট ও কাতার ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টারের মধ্যে  সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (মাঝে ও তাঁর  ডানদিকে) সালমান খান, সামিট গ্রুপের পরিচালক, আয়েশা আজিজ খান, সিইও এবং এমডি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের এবং ইউসূফ মোহাম্মদ আল-জাইদা, সিইও, কিউএফসি।

(তাঁর বামে) শেইখা আলানাউদ বিনতে হামাদ আল-থানি, কো-সিইও, কিউএফসি এবং প্রফেসর শিবলী রুবায়াত-উল-ইসলাম, চেয়ারম্যান, বিএসইসি কাতারের দোহায় সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

(দোহা, কাতার) ৭ই মার্চ ২০২৩ ,মঙ্গলবার : আজ সামিট গ্রুপ এবং কাতার ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টার (কিউএফসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সিইও এবং এমডি আয়েশা আজিজ খান, কাতারের বাণিজ্য ও শিল্প  মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সুলতান বিন রশিদ আল খাতার এবং কিউএফসি এর সিইও ইউসুফ মোহাম্মদ আল-জাইদা উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শেইখা আলানাউদ বিনতে হামাদ আল-থানি, কো-সিইও, কিউএফসি এবং সালমান খান, সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কো লিমিটেড (এসওএসসিএল)-এর পরিচালক এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতার চুক্তির মাধ্যমে সামিটকে কাতারে বিনিয়োগ এবং ব্যবসার সুযোগ অন্বেষণ করতে সহায়তা করবে কিউএফসি, বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ খাতে।

কাতার ফিনান্সিয়াল সেন্টার (কিউএফসি) সম্পর্কে: কাতার ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টার (কিউএফসি)  দোহায় অবস্থিত একটি অনশোর ব্যবসা এবং আর্থিক কেন্দ্র, যা কাতারের ২০০৫ সালে ৭নং আইন বলে প্রতিষ্ঠিত।

বিভিন্ন বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলির জন্য এটি একটি বিশ্ব-মানের প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কিউএফসি তার নিজস্ব আইন, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, ট্যাক্স এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ দেয়   কাতার ন্যাশনাল ভিশন ২০৩০  অনুযায়ী  অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৈচিত্র্যকরণে অবদান রাখতে।

সামিট গ্ৰুপ সম্পর্কে: সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড (এসওএসসিএল) সামিট  গ্ৰুপের জ্বালানি খাতের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। সামিট গ্রুপ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান।

পাশাপাশি গ্রুপটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান (আইপিপি)। সামিট জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২ গিগাওয়াট সরবরাহ করে ও বাংলাদেশের দ্বিতীয় ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) সহ ৫০০ এমএমসিএফ/ডি ধারণক্ষমতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্বে আছে।

সামিট একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.