আজ: শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ইং, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৫ নভেম্বর ২০২৩, রবিবার |

kidarkar

বিশ্বকাপে দলের ব্যর্থতায় লঙ্কান বোর্ড সচিবের পদত্যাগ

স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের বিশ্বকাপের আসরে শুরু থেকেই ধুঁকছে শ্রীলঙ্কা। ৭ ম্যাচ খেলে মাত্র দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছে তারা। এমন পারফরম্যান্সের পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাদের খেলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এদিকে ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ৫৫ রানে অলআউট হয় তারা। সেই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৩০২ রানের পরাজয় এখনো দগদগে।

এমন পারফরম্যান্সের পর সমালোচনার মুখে পড়েছে ক্রিকেট শ্রীলঙ্কা। দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বোর্ডকে কারণ দর্শানোর জন্য হুঁশিয়ার করে দিয়েছে।

এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের সচিব মোহন ডি সিলভা পদত্যাগ করেছেন। তিনি কোনোধরনের বিবৃতি ছাড়াই এই পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।

বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে এসএলসির কার্যনির্বাহী কমিটিকে পদত্যাগ অথবা কঠোর ব্যবস্থার জন্য তৈরি থাকতে বলেছিল দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। জবাবদিহিতার মুখোমুখি হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছেন মোহন ডি সিলভা। তবে লঙ্কান গণমাধ্যমের দাবি ব্যক্তিগত কারণেও পদত্যাগ করতে পারেন তিনি।

যদিও ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী বোর্ডের কাজে হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। এমন আইন থাকার পরও ক্রিকেট বোর্ডের কার্যকলাপে বেশ ভালোভাবেই জড়িয়ে আছে শ্রীলঙ্কার ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এর আগেও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডে হস্তক্ষেপ করেছে দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া গত এক বছর ধরেই বোর্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক চলছিল। এরই প্রতিফলন দেখা গেছে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর।

ভারতের বিপক্ষে হারের পর ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে লঙ্কান বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন, ‘মূলত দলের এমন বাজেভাবে হার দলের কৌশল, প্রস্তুতি এবং পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড কখনোই দলের ভেতরের ব্যাপারে নাক গলায় না। তবে বোর্ড বিশ্বাস করে ম্যাচে যে পারফরম্যান্স তারা করছে এতে দায়িত্ববোধ ও স্বচ্ছতার প্রয়োজন রয়েছে।’

এর একদিন পরই বোর্ডটির সেক্রেটারি ডি সিলভা ছাড়লেন নিজের দায়িত্ব। এর আগে শ্রীলঙ্কা ক্রীড়া মন্ত্রী রোহান ফার্নান্দো এক বৃবিতিতে বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট কর্মকর্তাদের পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। তাদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত।’

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.