আজ: বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ইং, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৪ নভেম্বর ২০১৫, শনিবার |

kidarkar

সাপ্তাহিক ব্যবধানে সূচক ও লেনদেনে অবনতি

tradeশেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের চার দিনই কমেছে সূচক। এ সময়ে পতনের মাত্রা ছিলো অত্যাধিক। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর সবধরনের সূচকের পাশাপাশি অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দরে অবনতি ঘটেছে। আর সপ্তাহশেষে লেনদেনও কমেছে। এছাড়াও ধারবাহিকভাবে কমছে বাজার মূলধনের পরিমাণ। ফলে বাজার আবারও ঝিমিয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

ব্যাংকের বিনিয়োগ প্রত্যাহারের কারণে বাজারে বড় ধরনের পতন নেমে আসতে পারে, এমন আশঙ্কায় অন্য বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে ফিরে যেতে থাকে। ফলে শেয়ারের বিক্রয় চাপ বেড়ে গিয়ে সপ্তাহের চার দিনইা সূচকের দরপতন হয়েছে। তবে কিছুটা ইতিবাচক খবর আসার শেষে দিনে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করে। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহ শেষে (৮-১২ নভেম্বর) ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স কমেছে ১.৫২ শতাংশ বা ৬৮.৫৮ পয়েন্ট, ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে ১.৫৭ শতাংশ বা ১৭.০১ পয়েন্ট এবং ডিএসই৩০ সূচক কমেছে ১.৩০ শতাংশ বা ২২.২৮ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৭টির, কমেছে ২৪৫টির, দর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির এবং লেনদেন হয়নি ৩ টির। আর টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৯০ কোটি ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৪৯৭ টাকা।

এর আগের সপ্তাহ শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স কমেছিলো ০.৩৭ শতাংশ বা ৬২.৩৩ পয়েন্ট, ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছিলো ০.৭২ শতাংশ বা ৭.৮৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই৩০ সূচক কমেছিলো ০.৮৫ শতাংশ বা ১৪.৬১ পয়েন্ট। আর টাকার অংকে লেনদেন হয়েছিলো ১ হাজার ৫০৪ কোটি ৫৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৯৭ টাকা। সে হিসেবে আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে টাকার অংকে লেনদেন কমেছে ১৪ কোটি ৪২ লাখ ৪৬ হাজার ৭০০ টাকা বা ০.৯৬ শতাংশ।

আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪০কোটি ৬৩ লাখ ৯৮ হাজার ৩৩২টি।  আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল ৪০কোটি ২৫ লাখ ১২ হাজার ২০টি। সে হিসেবে ডিএসইতে গত সপ্তাহে শেয়ার লেনদেন বেড়েছে ০.৯৭ শতাংশ।

এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। সপ্তাহশেষে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৪০৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার ৫৯১ টাকা। আগের সপ্তাহশেষে যা ছিলো ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬৬০ কোটি ৭৪ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। সে হিসবে আলোচিত সপ্তাহ বাজার মূলধন কমেছে ১.৯৯ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৪.৩৩ শতাংশ, ‘বি’ ক্যাটাগরির ৩.৫৬ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির ১০.৪৮ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১.৬৪ শতাংশ।

এদিকে আলোচিত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক কমেছে ১.৪৫ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া মোট ২৭২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৪টির, কমেছে ১৯৩টির এবং দর অপরিবর্তীত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির। যা টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১০৭ কোটি ৮১ লাখ ৫৭ হাজার ৪৫০ টাকা।

এর আগের সপ্তাহে সিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক কমেছিলো ১.৪৫ শতাংশ। আর সে সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিলো ১০১ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার ২৮৯ টাকা।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/অ

 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.