আজ: বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ইং, ৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, শনিবার |

kidarkar

মে থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার প্রক্রিয়া শুরু

Educationশেয়ারবাজার রিপোর্ট: জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে ২০১৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করার লক্ষ্যে মে ২০১৬ থেকে কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এখন থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার সব বিষয় দেখভাল করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সমন্বয় সভায় এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে চার হাজার ৩৬৫টি বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যাবে।

সমন্বয় সভা সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত সিদ্ধান্তের ফলে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায় অর্থাৎ ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, এরপর একাডেমিক স্বীকৃতি, পরে ওই সব প্রতিষ্ঠানের এমপিও ভুক্তির (শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ প্রদান) সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত শ্রেণিখোলা কিংবা বিষয় খোলার প্রয়োজন হলে তার অনুমতিও দেবে তারা। এতদিন পর্যন্ত এসব সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা বোর্ডগুলো দিত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর দায়িত্ব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর প্রক্রিয়া আগামী মে-জুন মাসে শুরু হবে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও সম্পাদন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে এক হাজার ৩৮টি। আর পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হচ্ছে তিন হাজার ৩২৭। নতুন করে পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদন করেছে ৯২টি এবং একাডেমিক স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছে ৩২টি প্রতিষ্ঠান। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যাবে। যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন করে একাডেমিক স্বীকৃতি ও পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদন করেছে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্তও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দিবে।

শেয়ারবাজারনিউজ/রু

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.