আজ: রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪ইং, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০২ এপ্রিল ২০১৬, শনিবার |

kidarkar

অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী নিয়োগ: নিয়ন্ত্রণ করবে বিএসইসি

BSECশেয়ারবাজার রিপোর্ট : অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করতে চায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর জন্য নিয়ন্ত্রণকারী এ সংস্থাটি প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরি করবে বলে জানা গেছে।

বিএসইস’র একাধিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে জানায়, বর্তমানে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কিংবা ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগে বিএসইসি’র অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কিংবা ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী বিএসইসি’র অনুমোদন নিতে হয়।

এ কর্মকর্তারা আরও জানান, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা শুধুমাত্র বিনিয়োগের সীমা বেধে দিয়েছে। অথচ ফান্ড ম্যানেজররা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করা অর্থ নিজেদের পছন্দমতো বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করছে। আর অদক্ষতার কারণে ফান্ড ম্যানেজাররা এ ধরণের বিনিয়োগ করছে। তাই সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী বা এমডি নিয়োগে বিএসইসি’র অনুমোদন এবং এ কর্মকর্তাদের জবাবদীহীতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ কমিশনের কাছে করা হবে।

আর এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে ফান্ড ম্যানেজারদের জবাবদীহীতা বাড়ার পাশাপাশি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিএসইসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সূত্র জানায়, সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অদক্ষতার কারণে বর্তমানে তালিকাভুক্ত ২৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট অভিহিত মূল্যের নিচে লেনদেন করছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, তালিকাভুক্ত ৪০টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৪টি ফান্ড সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট বা বোনাস ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। পরিণতিতে থিওরেটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের পর এ ফান্ডগুলোর ইউনিট দর ৭.৩০ শতাংশ কমেছে। অথচ ২৩টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সমাপ্ত হিসাব বছরে ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। আর এসব ফান্ডের ইউনিট দর ৩.৮০ শতাংশ বেড়েছে। ডিভিডেন্ডের ক্ষেত্রে এ ধরণের অরাজকতার কারণে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা বলে মনে করছে বিএসইসি। তাই শেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে যেসব ফান্ড রি-ইনভেস্টমেন্ট ডিভিডেন্ড দিয়েছে তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে বিএসইসি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ১৯টি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে সম্পদ ব্যবস্থাপনার নিবন্ধন সনদ রয়েছে।

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.