আজ: রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ইং, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৩ এপ্রিল ২০১৭, রবিবার |

kidarkar

মন্দা বাজারে সাড়ে ৮২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি শাহজিবাজার পাওয়ারের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের

shahjibazar_spcl_শাহজিবাজারশেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে অনিয়মের কারণে বহুল আলোচিত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লি: (এসপিসিএল) এ উদ্যোক্তা ও পরিচালক মন্দা বাজারে চলতি মাসে মোট ৫৫ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমান বাজার মূল্যে যা ৮২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৩৫ লাখ শেয়ার সাড়ে ৫২ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৩২ টাকা থেকে বেড়ে ১৫১ টাকা হয়েছে। আজকের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ১৪৭.৪০ টাকা।

জানা যায়, কোম্পানিটির চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার দুই ধাপে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। যার মূল্য ১৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে তিনি ১০ লাখ শেয়ার ব্লক মার্কেটে বিক্রি সম্পন্ন করেছেন। চেয়ারম্যানের কাছে কোম্পানিটির ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭১ হাজার ৪২০টি শেয়ার রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম দুই ধাপে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। যার মূল্য ১৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে তিনি ১০ লাখ শেয়ার ব্লক মার্কেটে বিক্রি সম্পন্ন করেছেন। তার কাছে কোম্পানিটির ১ কোটি ৩৯ লাখ ২ হাজার ৩৩টি শেয়ার রয়েছে।

চেয়ারম্যানের ছেলে আসগর হায়দার এবং আকবর হায়দার ৫ লাখ করে মোট ১০ লাখ শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করেছেন।

অন্যদিকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ছেলে ফরিদুল আলম, ফয়সাল আলম এবং মেয়ে রেজিনা আলম ৫ লাখ করে মোট ১৫ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে ফরিদুল আলম শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করেছেন।

এছাড়া কোম্পানিটির পরিচালক আনিস সালাউদ্দীন আহমেদের মেয়ে ইশরাত আজিম আহমেদ ৫ লাখ উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে বিএসইসি এবং সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদন নিতে হয়। ব্লক মার্কেটে তাদের শেয়ার লেনদেন হয়।

এর আগে কোম্পানিটিকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য গোপন করায় জরিমানা করেছে বিএসইসি। এছাড়া দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে দীর্ঘদিন কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ ছিল। পাশাপাশি মার্জিন সুবিধাও দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল।

২০১৪ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলনের জন্য ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছাড়ে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ইসলামী ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে এ টাকা খরচ করা হয়েছে।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.