ফর্সা হাবার ক্রিম স্কিন ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়!

শেয়ারবাজার ডেস্ক: একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে বাজার চলতি বেশিরভাগ ফর্সা হাওয়ার ক্রিমেই এমন সব উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ত্বকের ভাল হওয়ার থেকে খারাপ হচ্ছে বেশি। সেই সঙ্গে কী নিয়ম মেনে এই সব ক্রিম মুখ লাগাতে হয়, সে সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। ফলে না বুঝেই ব্যবহার চলছে। ফলে ত্বকের ক্ষতির আশঙ্কা যাচ্ছে বেড়ে।

ফর্সা হওয়ার ক্রিম মাত্রাতিরিক্ত হারে ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। যেমন…

১) স্কিন ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ে- 
ফর্সা হওয়ার ক্রিমে মূলত হাইড্রোকুইনান এবং মারকিউরি, এই দুটি ক্যামিকেল ব্যবহার করা উচিত। সে জায়গায় বাজার চলতি বেশির ভাগ ক্রিমেই এই দুই উপাদানের পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত ভাবে স্টেরোয়েড এবং ট্রেটিনোইন নামে দুটি উপাদান মেশান হয়, যা কার্সিজেনিক। এই দুটি উপাদানের থেকে স্কিন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেই সঙ্গে লিভারের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

২) চামড়া শক্ত হয়ে যায়- 
দীর্ঘদিন ধরে নানা ক্যামিকেল দিয়ে তৈরি এইসব ক্রিম মুখে লাগালে ত্বক তার সৌন্দর্য হারাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে চামড়া মোটা হয়ে যাওয়া, স্ট্রেচ মার্ক সহ নানাবিধ ত্বকের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

৩) চুলকানি- 
হাইড্রাকুউনানের প্রভাবে চুলকানি, কালো ছোপ, মুখ লাল হয়ে যাওয়া, ড্রাই স্কিন এবং প্রচন্ড জ্বালা হাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪) ত্বকের সংক্রমণ বেড়ে যায়- 
ব্রিটিশ জার্নাল অব ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে যারা ব্রণ, ডার্মাটাইটিস এবং একজিমার মতো ত্বকের রোগে ভুগছেন তারা যদি ফর্সা হাওয়ার ক্রিম ব্যবহার করেন, তাহলে এই সব রোগের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পায়। ফলে মুখের সৌন্দর্য বাড়ার পরিবর্তে চোখে পরার মতো কমে যেতে শুরু করে।

৫) ক্ষত দূর করার ক্ষমতা হারায়-
সুস্থ ত্বকের নিজের ক্ষত সারিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এই কাজটি স্কিন চারটি ধাপে করে থাকে। যেমন- হেমোস্টেসিস (ব্লাড ক্লটিং), ইনফ্লেমেশন, প্রলিফেরেশন এবং মেটুরেশন। দীর্ঘ দিন ধরে ক্ষতিকর ক্যামিকেল দেওয়া ফর্সা হওয়ার ক্রিম মুখে লাগালে ত্বকের ক্ষত সারানোর ক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে নানাবিধ ত্বকের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।সূত্র- বোল্ডস্কাই।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top