ঈদের জামাতে যেসব জিনিস আনা যাবে না

শেয়ারবাজার ডেস্ক: জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে ঈদুল আজহার নামাজ পড়তে পারেন, সেজন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

সোমবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে ঈদের নামাজের নিরাপত্তায় ডিএমপির গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ঈদুল আজহা নির্বিঘ্নে পালনে জাতীয় ঈদগাহে সুদৃঢ় ও নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে ঈদগাহ সুইপিং করা হবে। স্ট্যান্ডবাই থাকবে কাউন্টার টেরোরিজমের সদস্য ও সোয়াট টিম। অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

‘ঈদগাহের চতুর্দিকে ও ভেতরে সর্তক অবস্থায় থাকবে ইউনিফর্মে ও সাদা পোশাকের পুলিশ। জাতীয় ঈদগাহ ও তার আশপাশের নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে বিপুল সিসি ক্যামেরা। পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দিয়ে জাতীয় ঈদগাহ ও তার চারপাশে মনিটরিং করা হবে।’

জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের জন্য যেসব চেকপোস্টে তল্লাশি করা হবে তাতে পুলিশকে সহযোগিতা করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার।

ঈদের জামাতে মুসল্লিরা সঙ্গে কী আনতে পারবেন সে বিষয়েও সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আছাদুজ্জামান মিয়া। বলেন, ‘ঈদের জামাতে মুসল্লিরা জায়নামাজ ব্যতীত কোনো ধরনের ভ্যানিটি ব্যাগ, ব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ ও দাহ্য পদার্থ সঙ্গে আনতে পারবেন না। তবে বৃষ্টি হলে ছাতা সঙ্গে আনা যাবে। প্রয়োজনে নিরাপত্তার স্বার্থে জায়নামাজ ও ছাতা তল্লাশি করা হবে।’

জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক মুসল্লিকে শারীরিক তল্লাশি, মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে দিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে হবে।’ যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে নগরবাসীকে অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার।

আছাদুজ্জামান মিয়া আরও বলেন, ‘নারী মুসল্লিদের জন্যও থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। তাদেরকেও নারী পুলিশ দ্বারা তল্লাশি করে ঈদগাহে প্রবেশ করানো হবে।

এ সময় ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু

আপনার মন্তব্য

Top