আজ: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১ইং, ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১০ মে ২০২১, সোমবার |


kidarkar

‘ঈদের পর দেশে ভারতের মতো অবস্থা হতে পারে’

ঈদের পর দেশে ভারত-নেপালের মতো ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার ( ১০ মে) দুপুরে দেশের চারটি বর্ডার এলাকার বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে ভার্চ্যুয়ালি ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষ লকডাউনের সামান্য শিথিলতার সুযোগ নিয়ে যেভাবে দলবেঁধে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধির কোনরকম তোয়াক্কা না করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করছে তা একেবারে সুইসাইড সিদ্ধান্তের শামিল।

মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে প্রতিদিন হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছে। ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্টটি এখন নেপালে ছড়িয়ে গিয়ে সেখানে ভয়াবহতা সৃষ্টি করেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট এখন আমাদের দেশেও চলে এসেছে। এইরকম ক্রিটিকাল সময়ে এই ভাইরাস দেহে নিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যদি গ্রামে চলে যায়, তাহলে গ্রামে থাকা পরিবার পরিজনসহ গ্রামবাসী গণহারে আক্রান্ত হতে পারে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, শহরাঞ্চলেও মানুষ এখন বেপরোয়া চলাফেরা করছে। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় বিভাগীয় শহরে শপিংমল সহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে মানুষ চলাফেরা করছে। এভাবে চলতে দিলে ঈদের পর দেশে ভারত-নেপালের মতো ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। একারণে প্রতিটি বর্ডার এলাকার দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে কাজ করতে হবে। বর্ডার এলাকার ভারত যাতায়াতকারী ব্যক্তির পরিবারসহ সকল মানুষকে দ্রুত ও বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। বর্ডার এলাকার কোন যানবাহন নিজ জেলার বাইরে মুভমেন্ট যেন করতে না পারে সে ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার জানান, খুলনা বিভাগীয় এলাকায় বর্তমানে ২৭০০ জন ভারত যাতায়াতকারী ব্যক্তি হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।তাদেরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে বন্দর দিয়ে প্রবেশ করা ট্রাক ড্রাইভার, হেল্পারদের কোনভাবেই মুভমেন্ট করতে দেয়া হচ্ছে না। কঠোরভাবে তাদের আইসোলেশন ব্যবস্থায় জোর দেয়া হয়েছে।

২ উত্তর “‘ঈদের পর দেশে ভারতের মতো অবস্থা হতে পারে’”

  • Mohammed jaker ullah says:

    করোনা ভাইরাস ছিদ্র পথ দিয়ে ঢুকে। চোখ, মুখ, নাক, কান, পায়ুপথ ও যৌনাঙ্গ দিয়ে এটাই আপনারা গর্দভরা জানেন না। আর ভারতীয়রা ঐসব ছিদ্র পথ খোলাই রাখে, বিশেষ করে হাগু শিশি করে পানি ও নেয় না। তাদের করোনা না হয়ে কী হবে? আমরা ভারতে চিকিৎসা শেষে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে আপনাদের চাঁদাবাজির শিকার হয়ে সাতক্ষীরায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে আছি। বেনাপোল চেকপোস্টে টাকা পয়সা ও জিনিস পত্র ছিনিয়ে নিল। আমাদের আর্থিক, শারীরিক, মানসিক ভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.