১৩ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ: মুনাফা বৃদ্ধিতে ৭টি

Arthik Protibadon Reportশেয়ারবাজার রিপোর্ট: প্রথম প্রান্তিক অনিরীক্ষিত (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৫) এবং তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর ১৫) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানি এবং ৩ মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এগুলো হলো: ইস্টার্ণ ক্যাবলস, আরএসআরএম স্টিল, নর্দার্ণ জুট, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, সাইফ পাওয়ারটেক, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সে, এপেক্স ট্যানারি, তিতাস গ্যাস, মাইডাস ফাইন্যান্স, বিচ হ্যাচারি,  এইমস ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রিলায়েন্স ওয়ান মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং এশিয়ান টাইগার গ্রোথ ফান্ড লিমিটেড। প্রতিবেদন অনুযায়ী ৭টি কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইস্টার্ন ক্যাবলস:

প্রথম প্রান্তিকে ইস্টার্ন ক্যাবলসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৪.১৪ টাকা (মাইনাস) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৮.৪৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.০২ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.৬৬ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৭.৯৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১৪ টাকা বা ৭০০ শতাংশ।

আরএসআরএম স্টিল:

প্রথম প্রান্তিকে আরএসআরএম স্টিলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৮৩ টাকা (মাইনাস) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪৬.৯৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.১১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৫.৪৪ টাকা (মাইনাস) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৫১.৫৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.২৫ টাকা।

নর্দার্ণ জুট:

প্রথম প্রান্তিকে নর্দার্ণ জুটের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৪.২১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৮৮.২৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.২৫ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৭.৪৭ টাকা (মাইনাস) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৮৭.২২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৭৮ টাকা বা ৩১২ শতাংশ।

আলহাজ্ব টেক্সটাইল:

প্রথম প্রান্তিকে আলহাজ্ব টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪.২১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.২৬ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.২৭ টাকা (মাইনাস) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৩.৯৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা।

সাইফ পাওয়াটেক:

প্রথম প্রান্তিকে সাইফ পাওয়াটেকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.২২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৫.৮৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৫৯ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.১৪ টাকা (মাইনাস) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে সমন্বিত এনএভিপিএস ছিল ২৪.৫০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৭৯ টাকা বা ১৩৩.৯০ শতাংশ।

ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স:

প্রথম প্রান্তিকে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৬৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১২.৫৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.২৯ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ০.২৫ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে সমন্বিত এনএভিপিএস ছিল ১২.১৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১২ টাকা বা ৪১.৩৮ শতাংশ।

এপেক্স ট্যানারি:

প্রথম প্রান্তিকে এপেক্স ট্যানারির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) (without fair valuation surplus) হয়েছে ০.৫৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৮.২০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৭৪.৫১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৬৬ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.২২ টাকা (মাইনাস) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৭৩.৪৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.০৭ টাকা।

তিতাস গ্যাস:

প্রথম প্রান্তিকে তিতাস গ্যাসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৩৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৯.৯৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২.৩৭ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.৪৯ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৫৮.৩৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.৮০ টাকা।

মাইডাস ফাইন্যান্স:

প্রথম প্রান্তিকে মাইডাস ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩.০৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৭.৫০টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১.৪২ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.৭১ টাকা (মাইনাস) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২.২৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ১.৫৫ টাকা।

বিচ হ্যাচারি:

তৃতীয় প্রান্তিকে বিচ হ্যাচারির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৪৭ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.০২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১১.৯১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৯৭ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.১৩ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১২.৩৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১.৪৪ টাকা।

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.১১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.১২ টাকা।

এইমস ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড:

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছে ০.১৭ টাকা যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩২ টাকা। এ সময় ইউনিট প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.১৮ টাকা যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৫ টাকা।

এদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকে বাজারমূল্য অনুসারে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ২৭.১৭ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে সম্পদ মূল্য হয়েছে ১০.৬৬ টাকা। যা ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ছিল যথাক্রমে ৩৮.৯৯ টাকা এবং ১৪.৫১ টাকা।

উল্লেখ্য, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের জন্য ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

রিলায়েন্স ওয়ান মিউচ্যুয়াল ফান্ড:

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছে ০.০৯ টাকা যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৬ টাকা। এ সময় ইউনিট প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.০৬ টাকা যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১২ টাকা।

এদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকে বাজারমূল্য অনুসারে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ১১.৮৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.০৪ টাকা। যা ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ছিল যথাক্রমে ১২.৬৮ টাকা এবং ১২.০৫ টাকা।

উল্লেখ্য, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের জন্য ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

এশিয়ান টাইগার গ্রোথ ফান্ড:

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.৭৭ টাকা। এ সময় ইউনিট প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৬২ টাকা।

এদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকে বাজারমূল্য অনুসারে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ১২.০৪ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৭৯ টাকা। যা ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ছিল যথাক্রমে ১২.২১ টাকা এবং ১১.৯৯ টাকা।

২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের জন্য ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের ৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ এবং ২.৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু

 

আপনার মন্তব্য

Top