সরকারী চাকরীজীবীদের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা বাড়ছে

Sachibaloy20170216175501শেয়ারবাজার ডেস্ক: সরকারী চাকরীজীবীদের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা বাড়ছে। আর এ ঋণের পরিমাণ ও সুদহার ঠিক করার জন্য অর্থ বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. আর. এম. নাজমুজ ছাকিবকে এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে। ওই কমিটি আলাপ আলোচনা করে যে প্রস্তাব দেবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে সরকার। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়,  সরকারি চাকরিজীবী যারা জেলা উপজেলা পর্যায়ে রয়েছেন তারা ১০ লাখ টাকা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে যারা রয়েছেন তারা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। এ ঋণের সুদের হার হবে ৫ শতাংশ। বর্তমানে ১০ শতাংশ সুদে এই ঋণের পরিমাণ এক লাখ ২০ হাজার টাকা নির্ধারিত করা আছে।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রণালয়ে এ কমিটি একটি বৈঠক করেছে। বৈঠকের কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, বর্তমান নির্ধারিত গৃহনির্মাণ ঋণ বাবদ ১ লাখ ২০ হাজার থেকে যৌক্তিকভাবে বাড়িয়ে জেলা উপজেলাসহ মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মচারীদের ১০ লাখ টাকা করা হয়। এতে ওই পর্যায়ের একজন সরকারি কর্মচারীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে।

একইভাবে বিভাগীয় শহর এবং মহানগরীগুলোতে বসবাসকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের বিষয়টি যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করাও এখন সময়ের দাবি।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এটি বাস্তবায়িত হলে কেবলমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই উপকৃত হবে এমনটি নয় বরং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আবাসন ও আর্থিক খাতেও সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ ঋণে সুদহার হবে ৫ শতাংশ।

কার্যবিবরণীতে আরও বলা হয়, মূল বেতনের তিন ভাগের এক ভাগের বেশি কর্তন করা যৌক্তিক হবেনা। তবে এখন যেহেতু ৫০ শতাংশ পেনশন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়েছে, সেহেতু গ্র্যাচুইটির একটি নিদিষ্ট অংশকে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নিয়ে ঋণের সিলিং নির্ধারণ করা যেতে পারে। এছাড়া নবীন কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধার আওতায় চাকরীর শুরুতেই একটি বাসস্থানের সংস্থান করা সম্ভব হলে সরকারি চাকুরীতে মেধাবীরা আকৃষ্ট হবেন।

বৈঠক সুত্র জানায়, বিষয়টি চূড়ান্ত করতে মন্ত্রিসভার চাপ রয়েছে। তাই এ সংশ্লিষ্ট কমিটি খুব দ্রুত আরও বৈঠক করে প্র্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণীর আলোকেই গৃহঋণের বিষয়টি চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে।এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের এ সুযোগের আওতায় আনা যায় কিনা সে বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের সংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। এর মধ্যে স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিতসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা সাত লাখ।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top