আজ: শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১ইং, ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৬ জুন ২০২১, বুধবার |



kidarkar

বানকোর সাড়ে ১১ হাজার বিনিয়োগকারীর কী হবে?

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজ বানকো সিকিউরিটিজ লিমিটেডের লেনদেন কার্যক্রম গতকাল মঙ্গলবার বন্ধ ঘোষণা করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। এই হাউজটিতে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার বিনিয়োগকারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও হিসাব রয়েছে। এ অবস্থায় অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এসব বিও ধারীরা।

জানা গেছে, ব্রোকারেজ হাউজটিতে থাকা সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে প্রায় ৬৬ কোটি টাকার গরমিল পাওয়ায় হাউজটির লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সাথে গত সোমবার রাতে ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্তা ব্যক্তিরা যাতে বিদেশে যেতে না পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ব্রোকারেজ হাউসটির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) মালিকানার সঙ্গে যুক্ত মোট ছয় পরিচালকের ব্যাংক হিসাব জব্দের জন্য গতকালই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে, ব্রোকারেজ হাউজটিতে যাদের নগদ টাকা ও শেয়ার জমা রয়েছে তারা টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। এমন একজন বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারনিউজকে বলেন, এই হাউজটি সম্পর্কে ডিএসই কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই জানতো। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আগে ব্যবস্থা নিলে এমন হতো না।

জানা গেছে, বানকো সিকিউরিটিজের বিও হিসাবধারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৭৯ জন। গতকাল লেনদেন বন্ধের খবরে বেশ কিছু বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে ভিড় করেন। আজও অনেকে হাউজটিতে এসেছেন করেছেন বলে জানা গেছে। তবে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হলেও ব্রোকারেজ হাউসটির কার্যালয় খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে ডিএসই।

ব্রোকারেজ হাউসটিতে থাকা বিনিয়োগকারীদের শেয়ার যাতে স্থানান্তর করা না যায়, সে জন্য বানকো সিকিউরিটিজের ডিপি (ডিপজিটরি পার্টিসিপেন্ট) কার্যক্রমও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। লেনদেন ও ডিপি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্রোকারেজ হাউসটির কোনো বিনিয়োগকারী গতকাল শেয়ারবাজারে লেনদেনে অংশ নিতে পারেননি।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে বানকো সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আবদুল মুহিত ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্বে) শফিউল আজমকে গত দুইদিন ধরে ফোন করা হলেও তাদের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

২ উত্তর “বানকোর সাড়ে ১১ হাজার বিনিয়োগকারীর কী হবে?”

  • Shafiqur Rahman Mazumdar says:

    Theft and stealing on in all sides . The dse and cse listed company gave all the bonus share but their is only 13.82 % ( example “GENNEXT” debuted trade on 5 Dec ’12 . IT gives Bonus dividend @10,10,10,15,15,20 and 20 % from 2018 t0 2016 and from 2014 to 2011 respectively. In 2015,2019 and 2020 it has declared no dividend . where is gone to directors Bonus share from 2012 to 2018 and why is now the sponsors’ portion is only 13.82 % ?
    the Q1 to Q3 EPS are -.08 , .02 and and .03 respectively of which annualized EPS is -.04. its short term loan is 61.794 Crore and Share is 49.4975 ie total 494.975 crore. It Revaluation assets are 39.69 ehis is no use of calculating EPS or dividend but only had scope to get bank loan against the name of company. The cat is “Z” now .Price range for two years is 2.20 to 5.70 and the hist point is today on 16.6.20. This is just an example. All most all company who gave bonus share are now either Z category or EPS is negative . They did not come to become the Industrialist but to grave force and tectfully from public.

  • BABU says:

    that is our biggest problem in all sector… completion of stealing and theft dse looking for suspects.. what a shame.. biggest reason for foreign investor don’t want to invest our country.. every should wake up and protect own investment..?
    don’t you see since 1996 till now any corrupted share mkt manipulator
    went to jail… moreover they all awarded to a better position in DSE AND SEC… SAD story for all small investor.. just my opinion…

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.