আজ: সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ইং, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৭ অক্টোবর ২০২১, বুধবার |



kidarkar

অর্থঋণ আদালত

৬৫ হাজার মামলায় আটকে আছে ১ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ঋণসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অর্থঋণ আদালত চালু হলেও তেমন অগ্রগতি নেই। এই আদালতে খেলাপি ঋণসংক্রান্ত ৬৫ হাজার ৪৩৭টি মামলায় আটকে রয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ৬টি সরকারি ব্যাংকের আওতায় ১৭ হাজার ১৩টি মামলায় ৬০ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর আওতায় ৫ হাজার ৯১৩টি মামলায় ১ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা, ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৩৪ হাজার ৭১৫টি মামলায় ৬৯ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর ৭ হাজার ৭৯৬টি মামলায় ২ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা আটকে আছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সরকার পরিচালিত ব্যাংকগুলোয় বিভিন্ন মামলায় ঝুলে থাকা খেলাপি ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য থেকে জানা গেছে, দেউলিয়া, সার্টিফিকেট এবং অর্থঋণ আদালতের অধীন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫১৫ মামলায় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে ২ লাখ ২৩২ কোটি টাকা।

জানা গেছে, ঋণসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে অর্থঋণ আদালত গঠন করা হয়। এখন পর্যন্ত এ আদালতে প্রায় ২ লাখ মামলা হয়েছে। যেসব মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে তার অর্থের বড় একটি অংশ আদায় করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

ব্যাংকাররা বলছেন, অর্থঋণ আদালতের দীর্ঘসূত্রতা খেলাপি ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি ব্যাংকের শীর্ষ একজন কর্মকর্তা শেয়ারবাজারনিউজকে বলেন, চাহিদার তুলনায় দেশে অর্থঋণ আদালতের সংখ্যা কম। একই সঙ্গে আদালতগুলোয় বিচারকের সংখ্যাও যথেষ্ট নয়। তাই অর্থঋণ আদালতের মামলাজট তৈরি হচ্ছে। খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যাংকারদের ব্যাংক পরিচালনা করতে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে আর গ্রাহকেরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.