আজ: বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ইং, ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার |



kidarkar

ওইম্যাক্স ইলেকট্রোডের আইপিও লিষ্ট: আপনার আবেদন আছে কিনা দেখে নিন

oimaxশেয়ারবাজার রিপোর্ট: প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ওইম্যাক্স ইলেকট্রোড লিমিটেডের আইপিও আবেদন শেষ হয়েছে। এ কোম্পানির আইপিওতে ৪০ গুন বেশি আবেদন ছাড়িয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর কোম্পানির পক্ষ থেকে যাবতীয় কাগজপত্রাদি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেয়ার শেষ দিন। এরপরেই নির্ধারিত হবে কোম্পানির লটারির দিনক্ষণ। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে যারা আইপিওতে আবেদন করেছেন তাদের আবেদন ঠিকমতো হয়েছে কিনা একনজরে মিলিয়ে নিন।

ওইম্যাক্স ইলেকট্রোড লিমিটেডের আইপিও লিষ্ট দেখতে ক্লিক করুন

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত সকল প্রকার বিনিয়োগকারীরা কোম্পনির আইপিওতে আবেদন জমা নেয়া হয়। এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬০৪তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা যায়, পুঁজিবাজারে ১০ টাকা দরে ১ কোটি  ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড। আর উত্তোলিত টাকা দিয়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ক্রয় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

৩০ জুন, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩ পয়সা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা।

প্রকৌশল খাতের ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড লিমিটেডের ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১০ শতাংশ বেড়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৪৩ টাকা।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকের শেষ তিন মাসে (জানুয়ারি’১৭-মার্চ’১৭) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৬ টাকা।

এছাড়া চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’১৬ থেকে সেপ্টেম্বর’১৬) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’১৬-ডিসেম্বর’১৬) ইপিএস হয়েছে ০.৫৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৪ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির কোন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয় না। কোম্পানিটি বছরে ৭ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন পণ্য উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে।

কোম্পানিটি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড, জিআই ওয়্যার এবং নেইল (পেরেক) উৎপাদন করে। ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি মোট ৪১ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড থেকে আয় এসেছে ৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বা ১৪ শতাংশ, জিআই ওয়্যার থেকে এসেছে ১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ এবং পেরেক বিক্রি থেকে আয় এসেছে ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ৫১.৫২ শতাংশ।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.