সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

সময়োচিত পদক্ষেপের জন্য বিএসইসিকে সাধুবাদ

সময়োচিত পদক্ষেপের জন্য বিএসইসিকে সাধুবাদ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪২ কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ (পরিশোধিত মূলধনের) শেয়ার ধারণের জন্য ২ মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোম্পানিগুলো ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হলো, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে- বলে গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়। বর্তমান পুঁজিবাজারের প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ খুবই সময়োচিত। ২০১১

পুঁজিবাজারে ও শুদ্ধি অভিযান এখন সময়ের দাবি

এফডিআর এর সুদের উপর ভর করে চলা, উচ্চ বেতনে তদবীরের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, কোম্পানি লিস্টিংয়ে প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ ইত্যাদি নানা বিতর্ক জড়িয়ে পড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এছাড়া ওপেন সিক্রেট হিসেবে চলমান গ্রুপিং সমস্যা স্টক এক্সচেঞ্জের উন্নতির পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর ভরসাস্থল ডিএসই যদি নিজেই এতো বিতর্কের মধ্যে চলতে থাকে তাহলে দেশের

বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির হিড়িক

কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘদিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ ছিল। অনেক বিনিয়োগকারী যাদের আয়ের অন্যতম উৎস পুঁজিবাজার তারা শেয়ার কেনা-বেচা না করতে পেরে জমানো অর্থ দিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করেছে। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস আয় ছাড়া ব্যয় করার মাধ্যমে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী নগদ অর্থের সংকটে পড়ে গেছে। যে কারণে পুঁজিবাজারের লেনদেন চালু হওয়া মাত্রই কেনার চেয়ে বিক্রির পরিমাণ

লেনদেন বন্ধ: অস্তিত্ব রক্ষার কঠিন চ্যালেঞ্জে পুঁজিবাজার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: কোভিড-১৯ এর কারণে সারাদেশের অর্থনীতি থুবরে পড়েছে। দেশের আপামর জন সাধারণ বর্তমানে করোনা নিয়ে যেমন আতঙ্কে রয়েছেন তেমনি আতঙ্কে রয়েছেন সামনের দিনগুলোর জীবনযাত্রা নিয়ে। দেশের অর্থনীতির অন্যতম অংশ পুঁজিবাজারের লেনদেন গত ২৯ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এতোদিন লেনদেন থেকে দূরে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারের ওপর যাদের আয় নির্ভর করে তারাও

ব্যাংকের নয়-ছয় ভীতি নয় বরং পুঁজিবাজারের গতি আনবে

আগামী এপ্রিল থেকে ব্যাংকে নয়-ছয় সুদহার কার্যকর হবে। ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যে আমানতের সুদহার ৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ব্যাংকগুলোর এই নয়-ছয় সুদহার নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে যার প্রভাব শেয়ারবাজারের ওপরও পড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে ব্যাংকগুলোর নয়-ছয় কার্যকরে প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় কমে যাবে। এতে

পুঁজিবাজারকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অক্সিজেন: প্রশংসনীয় বিএমবিএ

গেল বছরের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এডি রেশিও বাড়িয়ে পুঁজিবাজারকে টেনে তুলতে চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সেই চেষ্টায় কাজ না হয়ে বরং পুঁজিবাজারের মন্দাবস্থা আরো মন্দা হতে থাকে। নীতিনির্ধারণী মহলগুলোর নানা উদ্যোগেও যখন কাজ হচ্ছিল না তখনই মাঠে নামে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। সংগঠনটি পুঁজিবাজারকে গতিশীল করার জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড চেয়ে

সূচক পতনের বেজ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে নীতি নির্ধারণী মহলের বৈঠক এবং টিভি আলোচনা থেকে শুরু করে বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সাক্ষাতকার থেকে যে সমস্যাগুলো উঠে এসেছে তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে টাকার সংকট। আর আস্থার সংকটের কারণেই এই টাকার সংকট দেখা দিয়েছে। প্রায় সবাই এ দুটি সমস্যার কথা জানালেও সমাধানের কোন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। বর্তমান

সোনালী পেপার নিয়ে কলকাঠি নাড়ছে কারা?

ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট থেকে মূল মার্কেটে ফিরতে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেডকে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যদিও মূল মার্কেটে লেনদেন করতে যেরকম যোগ্যতা থাকা লাগে সোনালী পেপারের তা নেই। অবশ্য কিছু নিয়ম পরিপালন থেকে সোনালী পেপারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মূল মার্কেটে ফেরার আগেই এই কোম্পানিকে ঘিরে অদৃশ্য

শেয়ারে লকইন কি আসলেই বাজারের জন্য ভালো?

বর্তমান বাজারের আলোচিত সমস্যা হচ্ছে তিনটি। প্রথমত বাজারের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর তলানিতে। দ্বিতীয়ত টাকার অভাব। আর সর্বশেষে প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে অভ্যন্তর আলোচনা। এসব আলোচনায় বাজার এক পা এগোয় তো তিন পা পেছোয়। চলতি বছরের প্রায় সময়েই বাজারে অতিরিক্ত সেল প্রেসার তৈরি হয়েছে বলে অনেকে আলোচনা করেন। চার লক্ষ কোটি টাকার বাজারে ৩০০ কোটি টাকা

রিংসাইন টেক্সটাইল নিয়ে এতো বিভ্রান্তি কেন?

কথায় আছে ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। তালিকাভুক্ত টেক্সটাইল খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির অবস্থা খারাপ থাকায় এখন টেক্সটাইলের কোন কোম্পানি বাজারে আসলেই বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরণের আতঙ্ক তৈরি হয়। সম্প্রতি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে রিংসাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার এখন লেনদেন শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। পরিশোধিত

Top