সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

পুঁজিবাজার উন্নয়ন প্রত্যাশি বাজেট ২০১৯-২০

পুঁজিবাজার উন্নয়ন প্রত্যাশি বাজেট ২০১৯-২০

পুঁজিবাজার উন্নয়নে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৯-২০২০) সরকার যে আন্তরিকতা দেখিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিনিয়োগকারীদের জন্য করমুক্ত ডিভিডেন্ড আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা প্রতিষ্ঠা করতে অনিবাসী কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ড আয়ের ওপর দ্বৈতকর প্রত্যাহার এবং পুঁজিবাজারের গতিশীলতা ফেরাতে যেসব উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাতে এই মার্কেটে প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে

ফের ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বিনিয়োগকারীরা

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পরিপালন শেষে আজ আবার বাজারমুখী হতে যাচ্ছেন বাজার সংশ্লিষ্টসহ বিনিয়োগকারীরা। ঈদ পরবর্তী ১ম কার্যদিবস থেকেই আবারো ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা বাড়ছে। যে কারণে ইতিবাচক মনোভাবেই বাজার শুরু হয়েছে। তবে বাজারকে নিয়ে প্রত্যাশা হলেও গতিশীলতা থেকে বার বার হোঁচট খাচ্ছে বাজার। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ভালো ইপিএস দেখানোর পাশাপাশি ভালো ডিভিডেন্ড দিলে বিনিয়োগকারীরা অবশ্যই সেদিকে আগ্রহ বাড়াবে।

কেন ধনী আরো ধনী হয়?

কেন ধনী আরো ধনী হয়? কেন কিছু লোক অনেক ধনী ব্যক্তিকে পরিণত হয়? আবার কেন বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্র কিংবা মধ্যবিত্তেই পড়ে থাকে? “রিচ ড্যাড, পুর ড্যাড” নামে রবার্ট টি, কিওসাকি’র একটি বিখ্যাত বইয়ে এই প্রশ্নগুলোর খুব সুন্দর উত্তর দেওয়া হয়েছে। রবার্ট নামে একজন ছেলে ছিলো যার দুইজন বাবা ছিলো। অন্যকিছু মনে করবেন না। প্রথমটি তার নিজের

এতোকিছু হওয়ার পরও মার্কেটের গ্রোথ হলো না

২০১১ সালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পুনর্গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত অনেক আইন-কানুন তৈরি হয়েছে। অনেক বিধি-বিধান পরিবর্তন হয়েছে। গত ৯ বছরে ৯২টি কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়েছে। কিন্তু নতুন শেয়ার আর স্টক ডিভিডেন্ডের মহড়ায় যেভাবে শেয়ারের সংখ্যা বেড়েছে সেভাবে বাড়েনি বাজার মূলধন, বাড়েনি সূচক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)

আর কতো পতন দেখতে চান অর্থমন্ত্রী?

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আয়োজিত বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা কনফারেন্সে অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল বিনিয়োগকারীদের মনোবল বৃদ্ধি করতে বলেছিলেন “পুঁজিবাজারে আর কতো পতন হতে পারে আমি দেখতে চাই।” তার এই কথাটিতে সেদিন হাত তালির মাধ্যমে বেশ সমর্থনও দিয়েছিলেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু বিধি বাম! অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রীর কথা মুড়ির মতো খাওয়া হলেও হজম করা যায়নি। গত ২৮

বিনিয়োগকারীদের ট্রেডিংয়ের তথ্য পাঁচার: বিষয়টি গুরুতর বটে

ছোট হোক কিংবা বড়, একজন বিনিয়োগকারী সবসময় চায় তার লেনদেনের তথ্য অন্য কেউ না জানুক। যদিও বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী অন্যকোনো ভালো বিনিয়োগকারীকে অনুসরণ করতে চায়, কিন্তু তাই বলে অন্যের তথ্য চুরি করে নিজের ব্যবসা করাটা সামগ্রিক পুঁজিবাজারের জন্য অনেক ক্ষতিকর। বিনিয়োগকারীরা সবসময় একটা গোপনীয়তা চায়। তাদের গোপনীয়তা যখন থাকে না তখন তারা বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আর

পুঁজিবাজার ৩ পাত্তি খেলার জায়গা নয়

যেসব কোম্পানির অস্তিত্ব বর্তমানে কাগজে কলমে রয়েছে, ডিভিডেন্ড ও লিস্টিং ফি দিচ্ছে না সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। মূল মার্কেট থেকে একেবারে তালিকাচ্যুত করে শেয়ারবাজারকে জঞ্জালমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তাইতো ১৫টি কোম্পানির তালিকা তৈরি করে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক এবং এগুলো থেকে বের হওয়ার জন্য প্রতিদিনই ডিএসই’র নিউজ স্ক্রলে

ভালো পারফর্মই একটি গতিশীল বাজার উপহার দিতে পারে

নতুন অর্থমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বাজারের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। নির্বাচনের আগে বাজারকে ঘিরে যত হতাশা ছিলো সব যেন মুহূর্তের মধ্যেই পরিবর্তন হয়ে গেছে। তলানিতে পড়ে থাকা শেয়ারের দর মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে। সাইডলাইনে বসে থাকা পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা বিনিয়োগে সক্রিয় হয়েছেন। পুরনো বিনিয়োগকারীরা নতুন ফান্ডের মাধ্যমে শেয়ার দর সমন্বয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে গত ৩১

আতঙ্কের কিছু নেই

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢিমেতালে চলছে পুঁজিবাজার। টানা দরপতনের পাশাপাশি দৈনিক লেনদেন নেমে এসেছে ৫০০ কোটির নিচে। আইসিবিসহ অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার অভাবে গতিশীল হচ্ছে না পুঁজিবাজার। বেশিরভাগ পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরাও বাজারে বিনিয়োগের চেয়ে পর্যবেক্ষণে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। যে কারণে বার বার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্যাহত হচ্ছে পুঁজিবাজার। বড় শেয়ারের কোম্পানির চেয়ে

বিনিয়োগে সচেতনতার বিকল্প নেই

বিগত সাড়ে সাত বছরের ব্যবধানে কয়েক দফা মোটা অঙ্কের পুঁজি হারিয়েছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। এর জন্য বিনিয়োগকারীদের ভুল সিদ্ধান্ত এবং অতি মুনাফালোভী মনোভাব থাকার পাশাপাশি সুযোগ-সন্ধানীদের কারসাজি দায়ী। অধিকাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর একটা বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে প্রতিদিনই মুনাফা করতে হবে। কিন্তু তা কখনই সম্ভব নয়। কিছু যৌক্তিক কারণে বাজারে সাময়িক মন্দাভাব বিরাজ করতে পারে এটাও বিনিয়োগকারীদের উপলব্ধি

Top