সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

ব্যাংকের নয়-ছয় ভীতি নয় বরং পুঁজিবাজারের গতি আনবে

ব্যাংকের নয়-ছয় ভীতি নয় বরং পুঁজিবাজারের গতি আনবে

আগামী এপ্রিল থেকে ব্যাংকে নয়-ছয় সুদহার কার্যকর হবে। ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যে আমানতের সুদহার ৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ব্যাংকগুলোর এই নয়-ছয় সুদহার নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে যার প্রভাব শেয়ারবাজারের ওপরও পড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে ব্যাংকগুলোর নয়-ছয় কার্যকরে প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় কমে যাবে। এতে

পুঁজিবাজারকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অক্সিজেন: প্রশংসনীয় বিএমবিএ

গেল বছরের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এডি রেশিও বাড়িয়ে পুঁজিবাজারকে টেনে তুলতে চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সেই চেষ্টায় কাজ না হয়ে বরং পুঁজিবাজারের মন্দাবস্থা আরো মন্দা হতে থাকে। নীতিনির্ধারণী মহলগুলোর নানা উদ্যোগেও যখন কাজ হচ্ছিল না তখনই মাঠে নামে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। সংগঠনটি পুঁজিবাজারকে গতিশীল করার জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড চেয়ে

সূচক পতনের বেজ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে নীতি নির্ধারণী মহলের বৈঠক এবং টিভি আলোচনা থেকে শুরু করে বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সাক্ষাতকার থেকে যে সমস্যাগুলো উঠে এসেছে তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে টাকার সংকট। আর আস্থার সংকটের কারণেই এই টাকার সংকট দেখা দিয়েছে। প্রায় সবাই এ দুটি সমস্যার কথা জানালেও সমাধানের কোন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। বর্তমান

সোনালী পেপার নিয়ে কলকাঠি নাড়ছে কারা?

ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট থেকে মূল মার্কেটে ফিরতে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেডকে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যদিও মূল মার্কেটে লেনদেন করতে যেরকম যোগ্যতা থাকা লাগে সোনালী পেপারের তা নেই। অবশ্য কিছু নিয়ম পরিপালন থেকে সোনালী পেপারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মূল মার্কেটে ফেরার আগেই এই কোম্পানিকে ঘিরে অদৃশ্য

শেয়ারে লকইন কি আসলেই বাজারের জন্য ভালো?

বর্তমান বাজারের আলোচিত সমস্যা হচ্ছে তিনটি। প্রথমত বাজারের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর তলানিতে। দ্বিতীয়ত টাকার অভাব। আর সর্বশেষে প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে অভ্যন্তর আলোচনা। এসব আলোচনায় বাজার এক পা এগোয় তো তিন পা পেছোয়। চলতি বছরের প্রায় সময়েই বাজারে অতিরিক্ত সেল প্রেসার তৈরি হয়েছে বলে অনেকে আলোচনা করেন। চার লক্ষ কোটি টাকার বাজারে ৩০০ কোটি টাকা

রিংসাইন টেক্সটাইল নিয়ে এতো বিভ্রান্তি কেন?

কথায় আছে ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। তালিকাভুক্ত টেক্সটাইল খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির অবস্থা খারাপ থাকায় এখন টেক্সটাইলের কোন কোম্পানি বাজারে আসলেই বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরণের আতঙ্ক তৈরি হয়। সম্প্রতি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে রিংসাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার এখন লেনদেন শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। পরিশোধিত

হাউজগুলোর অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ হোক

নিজেদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি বাড়তি মুনাফার আশায় সিকিউরিটিজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। যে হাউজের সেবার মান যত ভালো হবে সেই হাউজেই বিনিয়োগকারীরা যাবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমানে হাউজগুলোর মধ্যে গ্রাহক টানার অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী মার্জিন ঋণের সীমা ১:০.৫। অর্থাৎ গ্রাহকের তহবিলের

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কি এভাবেই শেষ হয়ে যাবে?

আগে পুঁজিবাজারের দরপতনে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানালেও এখন আর তাদের চোখে পড়ছে না। কমিশন এবং ডিএসই’র কড়া ব্যবস্থায় প্রতিবাদের ভাষা এখন মনের অভিশাপ। সভা-সেমিনার আর টকশো’তে জ্ঞানীদের ইতিবাচক কথা শোনা গেলেও বিনিয়োগকারীদের কাছে তারা এখন জাস্ট জোকার। অ্যানালাইটিক্যাল রিপোর্টগুলো যেন ওয়াস্ট অব পেপার। সূচক আর শেয়ার দরের পতন হলেই মনে হচ্ছে কেউ শরীরের চামড়া টান

এবার স্টেকহোল্ডারদের পালা

শেয়ারবাজারে লাগাতার দরপতন ঠেকাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কিনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার যাবতীয় পলিসি সাপোর্টের প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গেল সপ্তাহে এডি রেশিও বাড়িয়ে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। গতকাল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব পোর্টফোলিওতে সরাসরি বিনিয়োগ অথবা সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ঋণ প্রদান করে উক্ত কোম্পানির নিজস্ব পোর্টফোলিওর আকার

আতঙ্কে সেল প্রেসার নয়: পুঁজিবাজারের সুদিন আসছে

বেশ কিছুদিন ধরে সামগ্রিক পুঁজিবাজারে মন্দাবস্থা বিরাজ করেছে। টানা দরপতনে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিও’র অবস্থা অনেক খারাপ পর্যায়ে নেমে এসেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র আস্থা সংকট বিরাজ করছে। যে কারণে অনেক বিনিয়োগকারী সামনে বাজার আরো খারাপ হতে পারে সেই আতঙ্কে লোকসানের মধ্যেও শেয়ার বিক্রি করে বের যাচ্ছেন। এতে অত্যধিক সেল প্রেসার তৈরি হওয়ায় সামগ্রিক পুঁজিবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব

Top