অনুসন্ধানী রিপোর্ট এর সকল সংবাদ

১৮৮ কোম্পানির ডিভিডেন্ডের অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা

১৮৮ কোম্পানির ডিভিডেন্ডের অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জুন ক্লোজিং ১৮৮ কোম্পানির ডিভিডেন্ডের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ৩০ জুন, ২০১৮ অর্থবছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোর পর্ষদ সভা অনুষ্ঠান করার সময় এসে গেছে। কেননা সামনে জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলো তাদের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। সে প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিনের লোকসানের মাত্রা কিছুটা সমন্বয়ের আশায় বিনিয়োগকারীর কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ডের উপর আস্থা রাখছে। সিকিউরিটিজ এন্ড

উভয় সংকটে অস্তিত্বহীন ২৪ কোম্পানি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অস্তিত্বহীন কোম্পানিকে ঘিরে উভয় সংকট তৈরি হয়েছে। একদিকে মামলা করা না হলে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি লিকুইড করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে মামলা করার মতো কোনো বড় বিনিয়োগকারী বা পাওনাদার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া অস্তিত্বহীন এসব কোম্পানি অন্যত্র বিক্রি করায় মামলা করলে তার রায় অনুকূলে আসবে না। ফলে বিপুল পরিমাণ শেয়ার নিয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও

অর্থ সংকটে ১৪ ব্যাংক: কেউ কেউ ভাল করলেও অনেকেই হতাশ করেছে

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: সুদ হারে বিশৃঙ্খলার কারণে আমানত কমে যাওয়ায়  পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪ ব্যাংক নগদ অর্থের সংকটে রয়েছে। ব্যাংকগুলোর ২০১৮ বছরের অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। আর এ সংকটের মধ্যে আলোচিত সময়ে ১৪ ব্যাংকের মুনাফা কমেছে। আর দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ১৩ ব্যাংকের মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। এছাড়া ৫টি ব্যাংকের

তালিকাচ্যুতির আতঙ্কে ১৭ কোম্পানি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: রহিমা ফুড ও মডার্ন ডাইংয়ের তালিকাচ্যুতির পর আরো ১৭ কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইন অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) চাইলে এসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত করতে পারে। কোম্পানিগুলো হলো: বিডি ওয়েল্ডিং, বিডি সার্ভিস, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, দুলামিয়া কটন, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ইমাম বাটন, ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক, জুট স্পিনার্স, কে অ্যান্ড কিউ, মেঘনা

নাগালের বাইরে লো-পেইড আপের ৩৩ কোম্পানি: মারাত্মক ঝুঁকিতে ১৯টি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লো-পেইড আপের ৩৩ কোম্পানি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দিন যত যাচ্ছে ততই এগুলোর শেয়ার দর বেড়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। যার ফলশ্রুতিতে পিই রেশিও বেড়ে এগুলোর শেয়ার দর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানেও চলে এসেছে। এছাড়া পিই রেশিও অনুযায়ী তালিকাভুক্ত ১৯ কোম্পানির শেয়ার দর মারাত্মক ঝুঁঁকির মধ্যে রয়েছে। তাই এসব কোম্পানির শেয়ারে

হতাশায় ১২ খাতের বিনিয়োগকারীরা: গেল বছর কোন খাতে কি পরিমাণ লেনদেন হলো দেখে নিন

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পুঁজিবাজারের লেনদেনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ব্যাংক খাত। এর পরের অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল, টেক্সটাইল, ওষুধ ও রসায়ন, ফিন্যান্সিয়াল ইন্সটিউট, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, বিবিধ, টেলিযোগাযোগ, আইটি, বীমা, সিমেন্ট, সিরামিক, চামড়া, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সেবা ও আবাসন, ভ্রমণ ও অবকাশ, পাট, কাগজ ও মুদ্রণ এবং বন্ড। ডিএসই’র এই ২০ খাতের মধ্যে

তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএসে শীর্ষে রয়েছে যারা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জুন ক্লোজিং হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে অধিকাংশই তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারী’১৮–মার্চ’১৮) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ কোম্পানি আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ও ভাল ইপিএস দিয়েছে ২০ কোম্পানি। কোম্পানিগুলো হলো- মুন্নু সিরামিক, ফার্মা এইডস, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা সিমেন্ট, মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স, স্টাইল ক্রাফট, হামিদ

শুধু ব্যাংকের শেয়ারেই ৪ হাজার কোটি টাকার টার্নওভার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের শেয়ারবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নির্ভর করে থাকে সাধারণত ব্যাংক খাতের ওপর। তাছাড়া এ খাতের প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ থাকে বিনিয়োগকারীদের। গত অর্থবছরে অর্থাৎ ২০১৭ সালে ব্যাংক খাতের ওপর বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। কিন্তু চলতি বছরের শুরু থেকে ফের ব্যাংক খাতের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যানুযায়ী,

আগ্রহের তালিকায় ৫৭ কোম্পানি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে বর্তমানে ক্রান্তিকাল চলছে। প্রতিনিয়তই সূচক পতনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কোম্পানির শেয়ার দরেরও পতন হচ্ছে। এতে কোম্পানিগুলোর প্রাইস আর্নিং বা পিই রেশিও অনেক কমে যাচ্ছে। তালিকাভুক্ত ৫৭ কোম্পানির পিই রেশিও বর্তমানে ১০ এর নিচে অবস্থান করছে। আর এসব কোম্পানিগুলোই বিনিয়োগের বেশি অনুকূলে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী

আসছে বাই প্রেসার: ৪৩ কোম্পানিকে কিনতে হবে ১১৭ কোটি শেয়ার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের এককভাবে দুই শতাংশ এবং সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের নির্দেশনা রয়েছে। ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) জারি করা এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে বর্তমানে কঠোর অবস্থানে রয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বর্তমানে ৪৩ কোম্পানির স্পন্সর পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ নেই। এসব

Top