এক্সক্লুসিভ এর সকল সংবাদ

সক্রিয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ: ফিরছেন পুঁজিপতিরা

সক্রিয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ: ফিরছেন পুঁজিপতিরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা দেওয়ার পর পুঁজিবাজারকে গতিশীল অবস্থায় ফিরে এসেছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছিল ৩৪০ কোটি। এদিন রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠনের সুযোগ প্রদানের সার্কুলার জারি করে। এর পরেরদিন থেকেই অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ‍পুঁজিবাজারের পুরো দৃশ্যপট পাল্টে যায়। ৩৪০ কোটি টাকা দৈনিক লেনদেন থেকে

সংশোধন হচ্ছে ব্যাংক কোম্পানি আইন: করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড নিয়ে দ্বন্দ্বের অবসান

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ব্যাংক কোম্পানি আইন,১৯৯১ ফের সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইনের ওপর মতামত প্রদানের জন্য ২১ দিনের সময়সীমা বেঁধে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানানো হয়েছে। সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রণীত করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড (সিজিসি) নিয়ে যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে তার অবসান করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান

সংশয়ে সিকিউরিটিজ হাউজ: চলছে ছাটাই বাড়ছে আতঙ্ক

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারের ধারাবাহিক মন্দায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালন নিয়ে সংশয়ে পড়েছে অধিকাংশ সিকিউরিটিজ হাউজ। বিগত বছরগুলোতে নানা উদ্যোগ নিলেও বাজার স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। ফলে অধিকাংশ কার্যদিবসে লোকসান গুনতে গুনতে তলানিতে এসে ঠেকেছে হাউজগুলোর আর্থিক হিসাব। লোকসান কমাতে অধিকাংশ হাউজগুলোতে কর্মী ছাটাইয়ের কাজ চলছে। এদিকে গত বছরের তুলনায় এ বছর বিও খোলার প্রবণতা কমেছে উল্লেখযোগ্যহারে। নতুন করে

শেয়ারবাজারে মন্দাবস্থা: বিপুল অর্থ রাজস্ব বঞ্চিত সরকার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজার ভালো থাকলে লেনদেন বেশি হয়। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে শেয়ারবাজারে মন্দাবস্থা থাকলে বিপরীত চিত্র দেখা যায়। গেল (জুলাই’১৯-জানুয়ারি’২০২০) এই সাত মাসে সরকার শেয়ারবাজার থেকে ৮৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব বাবদ আদায় করেছে। তার আগের অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অর্থাৎ শেয়ারবাজারের

নতুন আইন: ফাইন্যান্স কোম্পানির পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ: বিএসইসিকে অগ্রাধিকার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৩ বাতিল করে সময়পোযোগী করে তৈরি করতে নতুন ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন ২০২০ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রনালয় থেকে নতুন এই আইনের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত খসড়া আইন অনুযায়ী, ফাইন্যান্স কোম্পানির পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদ গঠন থেকে শুরু করে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত

রিং সাইন টেক্সটাইল নিয়ে গুজব

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের রিং সাইন টেক্সটাইলস লিমিটেডের পরিচালকরা আইপিও থেকে উত্তোলিত অর্থ নিয়ে বিদেশে চলে গেছেন এমন গুজব উঠেছে। সাধারণ বিনিয়োগকারী তথা পুঁজিবাজারে কোম্পানিটিকে ঘিরে নেতিবাচক মনোভাব তৈরির উদ্দেশ্যে এক শ্রেণীর স্বার্থানেস্বী মহল কোম্পানিটির বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়েছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জানা যায়, যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে

আইপিও’র পাইপলাইনে ৪ বীমা কোম্পানি: সক্ষমতার অভাব বাকিগুলোতে

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে ২৭ বীমা কোম্পানির মধ্যে ৪ কোম্পানি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) জন্য আবেদন করেছে। আরো ৫টি কোম্পানি আইপিও আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ২৭ বীমা কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আসার নির্দেশনা থাকলেও বাকি কোম্পানিগুলো এখনো তাদের আর্থিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র তৈরি করতে পারেনি। আগামী ২৯ জানুয়ারি বীমা কোম্পানিগুলোর

আশ্বাসের আস্থায় বাজারমুখী বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে ২০১৯ সালের জানুয়ারির শুরুটা যেভাবে হয়েছিল তার ঠিক বিপরীত চিত্র দিয়ে ২০২০ সাল শুরু করেছে পুঁজিবাজার। টানা দরপতনে ব্যক্তি বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা পর্যন্ত ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। মতিঝিল পাড়ায় বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন, জাতীয় সংসদে শেয়ারবাজার নিয়ে উত্তাল অবস্থা, স্টেকহোল্ডারদের বৈঠকের পর বৈঠকেও বাজার যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল না তখনই হস্তক্ষেপ

কোম্পানি অ্যানালাইসিস: ন্যাশনাল পলিমার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড। ১৯৯৩ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সর্বশেষ ৫ বছরের কোম্পানিটি মুনাফা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নে কোম্পানির ওভারভিউ থেকে শুরু করে ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস তুলে ধরা হলো: একনজরে ন্যাশনাল পলিমার: ট্রেডিং কোড: NPOLYMAR লিস্টিংয়ের তারিখ: ১৯৯৩ সেক্টর: প্রকৌশল মার্কেট ক্যাটাগরি: “এ” ইয়ার ইন্ড:

জেমিনি সী ফুডের হিসাবে কারচুপি!

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের জেমিনি সী ফুডের হিসাবে কারচুপি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে কোম্পানির নিরীক্ষক কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং। ডিএসই’তে প্রকাশিত কোম্পানিটির নিরীক্ষক তার নিরীক্ষা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জেমিনি সী ফুড প্রতিবছর ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ডের (ডব্লিউপিপিএফ) অর্থ প্রদানের উদ্দেশ্য খরচ দেখিয়েছে কিন্তু এই ফান্ডে কোম্পানিটি অর্থ স্থানান্তর করেনি। বাংলাদেশ

Top