এক্সক্লুসিভ এর সকল সংবাদ

খেলাপি ঋণ গণনায় বিশেষ সুবিধা পেল ব্যাংক

খেলাপি ঋণ গণনায় বিশেষ সুবিধা পেল ব্যাংক

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের বিষফোড়া খেলাপি ঋণ। এই খেলাপি ঋণ তিন প্রকার। সাব-স্ট্যান্ডার্ড; ডাউটফুল ও ব্যাড ডেট বা মন্দ ঋণ। অনাদায়ী ঋণের মেয়াদ অনুযায়ী খেলাপি ঋণ কে এই তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। আর এই মেয়াদের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে এক

উল্টোরথে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: চরম অস্থিরতায় দিন পার করছে শেয়ারবাজার। ধারাবাহিকভাবে কমছে লেনদেনের পরিমাণ। বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্টরা এর নেপথ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করছেন। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বলছে মন্দাবাজারের কারণে তারা বিনিয়োগে আসতে পারছে না। বাজার স্বাভাবিক হলেই তারা পুনরায় বিনিয়োগে ফিরে আসবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এরকম আচরণ কাম্য নয় বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা

লোকসানি ইউনিট-১ কে শতভাগ রপ্তানিমুখী করবে সিনোবাংলা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রির ইউনিট-১ কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে রয়েছে। এটিকে মুনাফায় আনতে শতভাগ রপ্তানমুখী করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। তাই রপ্তানি সুবিধা পেতে বন্ড লাইসেন্স করবে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে। কোম্পানি সূত্র জানায়, তাদের আরেকটি কারখানা ইউনিট-২ বন্ড লাইসেন্স নিয়ে উৎপাদিত পণ্য শতভাগ রপ্তানি করছে। আর এই ইউনিটের আয় দিয়ে কোম্পানিটি

ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বিও অ্যাকাউন্ট: মার্চে বেড়েছে সাড়ে ৮ হাজার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: গত মার্চ মাসে বেশিরভাগ কার্যদিবসেই মন্দা পরিস্থিতিতে দেশের শেয়ারবাজার। গত মাসে শেয়ারবাজারে সব ধরনের সূচক ও লেনদেন কমলেও নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খোলার পরিমাণ বেড়েছে। গত মার্চ মাসে নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ৮ হাজার ২০৯টি। এ নিয়ে টানা তৃতীয় মাসে ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খোলার পরিমাণ। দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি

লক ফ্রি হচ্ছে তিন কোম্পানির প্রায় ৪ কোটি শেয়ার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির প্রায় ৪ কোটি শেয়ার আগামী এপ্রিল মাসের শুরুতে বিক্রয়যোগ্য (লক ফ্রি) হতে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো হলো- সিলভা ফার্মাসিটিক্যাল, বসুন্ধরা পেপার মিলস এবং এসএস স্টীল লিমিটেড। কোম্পানির প্রসপেক্টাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, কোম্পানি তিনটির মোট ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৮৭ হাজার শেয়ার এপ্রিল মাসের ১-৩ তারিখের মধ্যে

বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের শেয়ারবাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগ। যেখানে চলতি মাসের (১-১৫ মার্চ) প্রথম পক্ষে গড় লেনদেন কমেছে ১১১ কোটি ২৩ লাখ টাকা সেখানে শেয়ারবাজারে বিদেশিদের নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১৫৯ কোটি টাকা বা প্রায় ৪৪ শতাংশ। ডিএসইর তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১০ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এ ১০দিনে বিদেশীরা মোট ৫২১

বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারে পালে হাওয়া

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শেয়ারবাজারে তারল্য সংকট চলছে। এর ফলে ধারাবাহিকভাবে কমছে মূল্য সূচক। এমনকি লেনদেনও চারশ কোটির ঘরে নেমে গেছে। কিন্তু সূচক ও লেনদেনের এ পতন অবস্থায়ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারে পালে হাওয়া লেগেছে। কোম্পানিরগুলোর শেয়ার গত কয়েক কার্যদিবস থেকেই টানা বেড়ে চলেছে। আর এর কারণ হিসেবে কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ড ঘোষণাকে দায়ী করছে বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বেশিরভাগ ব্যাংকে বেড়েছে বিদেশিদের বিনিয়োগ

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০ ব্যাংকের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যাংকের বিদেশিদের বিনিয়োগ আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে। তালিকাভুক্ত ৩০ ব্যাংকের মধ্যে ১০ ব্যাংকে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে, কমেছে আর অপরিবর্তীত রয়েছে ৭ ব্যাংকের। এদিকে ৬ ব্যাংকে কোন বিদেশি বিনিয়োগ নেই। ফেব্রুয়ারী মাসের ব্যাংকগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগের তথ্য পর্যালোচনায় এমনটি জানা গেছে। ডিএসইর তথ্যানুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারী মাসে সবচেয়ে বেশি

গতি নেই বাজারে: কমছে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে যে গতিশীলতা শুরু হয়েছিল তার এক মাস পরেই বিপরীত চিত্র দেখা গেছে। গেল জানুয়ারি মাসে দৈনিক গড় লেনদেন যেখানে ৯৭২ কোটি টাকা ছিলো সেখানে ফেব্রুয়ারিতে গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৭৬৫ কোটি টাকা। এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ২০৭ কোটি টাকা বা ২৭ শতাংশ। লেনদেন কম হওয়ার কারণে

এডিআর সীমার বাইরে রয়েছে যেসব ব্যাংক

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডিআর সীমার বাইরে রয়েছে ২০ ব্যাংক। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে ১০ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্রাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ইসলামী ব্যাংকের এডিআর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ৯০.৮০ শতাংশে উঠেছে। এক বছর আগে যা ছিল ৮৭.৮০ শতাংশ। এক্সিম ব্যাংকের এডিআর এক বছরে ৮৫.৫২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৩.৭৮ শতাংশ হয়েছে।

Top